


হাভানা: ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের নজর এবার কিউবার দিকে? মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক মন্তব্যে অন্তত সেই ইঙ্গিতই মিলছে। ঘটনার কেন্দ্রে ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ। বিষয়টা একেবারেই ভালোভাবে নেননি কিউবার বাসিন্দারা। প্রতিবাদে শুক্রবার রাজধানী হাভানায় মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েক হাজার কিউবান। উপস্থিত ছিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ক্যানেল ও প্রধানমন্ত্রী ম্যানুয়েল মারেরও। তবে ৯৪ বছর বয়সি রাউল কাস্ত্রো সেখানে যাননি।
১৯৯৬ সালে আমেরিকার একটি বিমান ভূপতিত করেছিল কিউবা। রাউল ছিলেন কিউবার তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। শোনা যায়, রাউলের নির্দেশেই বিমানে হামলা চলেছিল। ৩০ বছর পর এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাউলের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমান ধ্বংস ও খুনের অভিযোগ এনেছে আমেরিকা। তবে কিউবার শাসকদল ও সরকারি আধিকারিকেরা দ্বীপরাষ্ট্রটির বিপ্লবী নেতৃত্বের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে আমেরিকার আনা অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কিউবার দাবি, হামলার অজুহাত তৈরি করতেই এই অভিযোগ এনেছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দেন ট্রাম্প। বলেন, ‘গত ৫০-৬০ বছর ধরে একাধিক প্রেসিডেন্ট এই বিষয়টি দেখেছেন। মনে হচ্ছে আমিই হয়তো পদক্ষেপ করব।’ কিউবার সরকারকে সরাতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের প্রশ্নে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর মন্তব্য, ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যা প্রয়োজন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই পথই বেছে নিতে পারেন।’ বাস্তবে এমন কিছু হলে ভেনেজুয়েলার মতো অবস্থা হতে পারে কিউবার! তাই প্রতিবাদে বিক্ষোভে সরব হলেন কিউবার সাধারণ মানুষ।