Bartaman Logo
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

লোকনাথ মন্দিরে জল ঢালতে উপচে পড়া ভিড়, ভক্তের সেবায় পথে শিবির

আজ, শুক্রবার জন্মাষ্টমী। চাকলা ও কচুয়ার লোকনাথ মন্দিরে ঠাকুরের মাথায় জল ঢালতে পথে নেমে পড়েছেন পুণ্যার্থীরা। বৃহস্পতিবার থেকে ভিড় জমছে

লোকনাথ মন্দিরে জল ঢালতে উপচে পড়া ভিড়, ভক্তের সেবায় পথে শিবির
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আজ, শুক্রবার জন্মাষ্টমী। চাকলা ও কচুয়ার লোকনাথ মন্দিরে ঠাকুরের মাথায় জল ঢালতে পথে নেমে পড়েছেন পুণ্যার্থীরা। বৃহস্পতিবার থেকে ভিড় জমছে। কয়েক লক্ষ ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে মন্দির চত্বরের পাশাপাশি যশোর রোড ও টাকি রোডে প্রশাসনিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন মোড়ে তৈরি করা হয়েছে শিবির। কোথাও বিশ্রামের ব্যবস্থা, কোথাও জল ও খাবার এবং প্রসাদ বিলি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকনাথ ভক্তরা কলকাতা, হুগলি ও বারাকপুরের গঙ্গার ঘাটের দিকে রওনা দিয়েছেন। গঙ্গায় স্নান সেরে ঘট ভরে ও বাঁক কাঁধে চাকলা এবং কচুয়ার পথে হাঁটা শুরু করেছেন। সময় যত বেড়েছে ভক্তদের ভিড় ততই বেড়েছে। শুক্রবার ভিড় সবচেয়ে বেশি হবে বলে মনে করছে মন্দির কমিটি। পুণ্যার্থীদের ঢল সামলাতে নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। বুধবার চাকলার লোকনাথ মন্দিরে গিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন বারাসত পুলিশ জেলার সুপার জে মার্সি। মন্দির কমিটির তরফেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চাকলা মন্দির কমিটির কর্তা নবকুমার দাস বলেন, ‘ভক্তদের সুরক্ষার জন্য আমরা সবরকম ব্যবস্থা রেখেছি। বৃহস্পতিবার থেকে ভিড় হচ্ছে। শুক্রবার ভিড় বেশি হবে। যশোর ও টাকি রোডের বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে একাধিক শিবির। ক্লাব, সংগঠন, বাজার কমিটি থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সকলেই পুণ্যার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।’ 

Advertisement

চোখে পড়েছে, কোথাও বাঁক রাখার আলাদা জায়গা হয়েছে। কোথাও বিশ্রামের ব্যবস্থা। নজর কেড়েছে টাকি রোডের রামকৃষ্ণপল্লিতে বিজেপি নেতা সুবীর শীলের উদ্যোগে তৈরি শিবির। প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ শিবিরে পুণ্যার্থীদের বাঁক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্রামের পাশাপাশি থাকছে জল ও খাবারের আয়োজন। টাকি রোডের অন্য দিকে তৈরি হয়েছে বিশাল মঞ্চ। সেখানে হচ্ছে ভক্তিমূলক গানের অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবিরে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ একাধিক বিধায়ক। পুণ্যার্থীদের হাতে খাবার ও জল তুলে দেন তাঁরা। 
এই বিষয়ে সুবীরবাবু বলেন, ‘লোকনাথ ভক্তদের সেবা করতে এই আয়োজন। দীর্ঘ পথ হেঁটে আসার পর পুণ্যার্থীরা ক্লান্ত থাকেন। তাঁদের বিশ্রামের ব্যবস্থা, জল ও খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। মানুষের পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ