Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভিড় জমছে সিউড়ির তসরকাটা পিকনিক স্পটে, জলের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ

ফি বছর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে জেলার পিকনিক স্পটগুলিতে উপচে পড়ে ভিড়। কিন্তু বীরভূমের অধিকাংশ পিকনিক স্পটগুলিতে পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা নেই।

ভিড় জমছে সিউড়ির তসরকাটা পিকনিক স্পটে, জলের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: ফি বছর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে জেলার পিকনিক স্পটগুলিতে উপচে পড়ে ভিড়। কিন্তু বীরভূমের অধিকাংশ পিকনিক স্পটগুলিতে পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা নেই। তেমনই জেলার পিকনিক স্পটগুলির অন্যতম সিউড়ির তসরকাটা। যার ঠিকানা জেলা সদর শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। সোনাঝুরি, শিশু, ছাতিম সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালিতে ঘেরা মনোরম এই পরিবেশে বনভোজন এক অন্য মাত্রা জোগায়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর তসরকাটায় পিকনিক করতে এসেও এখানকার পরিকাঠামোর ছবিটা বদলায়নি। জলের সমস্যা এখানে রয়েই গিয়েছে। 
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই পিকনিক স্পটে একটি অকেজো ট্যাপকল ও একটি মাত্র চাপাকল রয়েছে। যা এখানে আসা কয়েকশো পিকনিক পার্টির কাছে নগন্য। বাধ্য হয়ে কেউ পুরসভা থেকে জলের ট্যাংক ভাড়া নিয়ে যান অথবা জলের জ্যারিকেন কিনে নিয়ে ওখানে যেতে হয়। ওই পিকনিক স্পটে পর্যাপ্ত পানীয় জলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পিকনিক পার্টিগুলি। স্থানীয় বাসিন্দা নরেশ দাসের কথায়, পিকনিকের মরশুমে শহর ও আশপাশের গ্রামগুলি থেকে ভিড় জমান পার্টিগুলি। মূলত  ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসেই এই তসরকাটায়সবচেয়ে ভিড় হয়। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেও পিকনিক করতে আসেন অনেকেই। তবে ওই দু’মাসের তুলনায় কম। এছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময় ছোটো খাটো অনুষ্ঠান অথবা শুটিং করতেও এখানে অনেকেই আসেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে তসরকাটায় পানীয় জলের ব্যাপারে কোনও উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।

Advertisement


জানা গিয়েছে, সিউড়ি ১ ব্লকের অন্তর্গত তসরকাটা জঙ্গল শহরবাসীর কাছে এক অন্যতম পিকনিক স্পট। স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের কাছে এখানে পর্যাপ্ত পানীয় জলের বন্দোবস্ত করার দাবি জানিয়েছেন পিকনিকে আসা মানুষজন। সিউড়ি শহরের বাসিন্দা দেবযানী রায় বলেন, আমরা শীতের মরশুমে ছুটির দিনে টোটো নিয়ে সকালে পিকনিক করতে যাই তসরকাটায়। জেলার মধ্যে এখন অন্যতম পিকনিক স্পট এই জায়গা। কিন্তু জলের কোনও বন্দোবস্ত নেই ওখানে! একটি কলের উপরেই ভরসা করতে হয়। শহর থেকে জলের জ্যারিকেন প্রায় ৩০-৪০ টাকা খরচ করে ওখানে নিয়ে যেতে হয়। আলাদা করে জলের জ্যারিকেন কিনতে খরচও বেড়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব যাতে জলের সুববন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়। 


সিউড়ি ১ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, তসরকাটা কোনও চিহ্নিত পিকনিক স্পটের মধ্যে পড়ে না। সম্প্রতি ওই জায়গায় ভিড় হচ্ছে। ওখানকার পরিকাঠামোর বিষয়টি আমরা দেখব।
 সিউড়ির তসরকাটা পিকনিক স্পটে একটি মাত্র কল। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ