নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: মহাসমারোহে নৈহাটির বড়মা মন্দিরের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হল। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বড়মাকে দর্শন করতে ভক্তদের ঢল নামে। সকাল থেকে বিশেষ পুজো, বেলায় হোম-যজ্ঞ হয়। উপস্থিত ছিলেন জগদ্দলের বিধায়ক রাজেশ কুমার, বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস এবং বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।
মন্দিরের যুগ্ম সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, তিন বছর আগে এই দিন বড়মার কষ্টিপাথরের মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তৃতীয় বর্ষের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বহু ভক্ত হাজির হয়েছিলেন। তবে এদিন ভিড়ের জন্য মাকে ভক্তদের কাছ থেকে পুজো নেওয়া হয়নি। যদিও পুজোর শেষে ভক্তদের বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো হয়েছে।
কালীপুজোর সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে স্থানীয় বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় সমরেশ বসু কক্ষে একটি বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে মন্দির কমিটির সদস্য, পুরসভা, রেল, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা ছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। চোরবাগানের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকের পরে পুলিশ কমিশনার অমিতকুমার সিং বলেন, ড্রোন দিয়ে নজরদারি করা হবে। ভক্তরা কোন রাস্তা দিয়ে আসবেন এবং কোন দিক দিয়ে বেরবেন তার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরে তিনি নৈহাটি স্টেশন ঘুরে দেখেন। নৈহাটি স্টেশনে যে কাজ হচ্ছে, তা দ্রুত শেষ করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, বেলা দুটো থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাড়ি চলাচল করবে না। শুধু অ্যাম্বুলেন্স এবং দমকলের গাড়ি ছাড়া। টোটো তো মেইন রাস্তায় চলবেই না। যারা বড়মাকে দর্শন করতে আসবেন, তাদের যাতে অসুবিধা না হয়, সে কথা মথায় রেখে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।



