Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝাড়গ্রামে কংসাবতীর ঘাটে ছটপুজোয় পুণ্যার্থীদের ভিড়

হিন্দিভাষীদের পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম জেলার সমস্ত স্তরের মানুষ ছটপুজোর আনন্দে সামিল হয়েছেন। সোমবার সুবর্ণরেখা ও কংসাবতী নদীর ঘাটের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়।

ঝাড়গ্রামে কংসাবতীর ঘাটে ছটপুজোয় পুণ্যার্থীদের ভিড়
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: হিন্দিভাষীদের পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম জেলার সমস্ত স্তরের মানুষ ছটপুজোর আনন্দে সামিল হয়েছেন। সোমবার সুবর্ণরেখা ও কংসাবতী নদীর ঘাটের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। ঝাড়গ্রাম ব্লকের সাতপাটি ছটপুজো কমিটির উদ্যোগে কংসাবতীর ঘাটে পুজো আয়োজিত হয়েছে। এই কমিটির ছটপুজো এবার ষষ্ঠ বর্ষে পা দিয়েছে।

Advertisement

এদিন বিকেল থেকেই সাতপাটি ঘাটে ছটব্রতীরা ভিড় জমান। বাঁশের ঝুড়িতে ঠেকুয়া, আখ ও নানা ধরনের ফল নিয়ে ভক্তরা ঘাটে এসেছিলেন। মহিলারা জলে নেমে পরিবারের সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনায় অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য প্রদান করেন। ঝাড়গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতি, বাঁধগড়া পঞ্চায়েত ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ছটপুজো কমিটিকে সবধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
ছটপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি ও মেন্টর স্বপন পাত্র, ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যান জয়দীপ হোতা উপস্থিত ছিলেন। রাতে আতসবাজি পোড়ানো দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে বহু মানুষ ভিড় জমান। শিক্ষক সংগঠনের সদস্য অশোক গড়াই বলেন, জেলার মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়ে আমরা কাজ করে চলেছি। সুষ্ঠুভাবে ছটপুজো আয়োজনে এবার আমরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছি।
পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য রামবিলাস ভার্মা বলেন, ঝাড়গ্রামে বহু হিন্দিভাষী মানুষ বসবাস করেন। এদিন ভক্তরা প্রথা মেনে অস্তগামী সূর্যকে সান্ধ্য অর্ঘ্য নিবেদন করেছেন। মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সময়ও বহু ভক্তের সমাগম হবে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ