রাঁচি: প্রয়োজনীয় সংখ্যা ছিল না। ক্রসভোটিংয়ের জেরে ঝাড়খণ্ড থেকে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানি। কংগ্রেস প্রার্থীর এই হার নিয়ে রাজ্যের শাসক শিবিরে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা। দুই ছোটো শরিক আরজেডি ও সিপিআই(এমএল)-এর বিরুদ্ধে ক্রসভোটিংয়ের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। যদিও অভিযোগ খারিজ করে পালটা হাত শিবিরকে নিশানা করেছে দুই শরিক দল।
ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিরোধী বিজেপি জোটের বিধায়ক ২৪ জন। শাসক জোটের ৫৬। ক্রসভোটিংয়ের জোরে প্রয়োজনীয় ২৮টি প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন নাথওয়ানি। এরপরেই কংগ্রেস নেতা কে রাজু ক্রসভোটিংয়ের দায় সরাসরি ঠেলেছেন আরজেডি ও সিপিআই(এমএল)-এর উপর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কংগ্রেসের ১৬, জেএমএমের উদ্বৃত্ত ৪টি ভোট পেয়েছি। ফলাফল দেখে স্পষ্ট আরজেডি ও সিপিআই(এমএল) বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’
পালটা কংগ্রেসকে তোপ দেগে আরজেডি বিধায়ক সঞ্জয় প্রসাদ যাদব বলেছেন, ‘আমি জানি, কার নির্দেশে রাজু এই মন্তব্য করেছেন। কোন বিধায়ক বিভিন্ন দলের দরজায় দরজায় ঘোরার পর কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, তাও জানি। আরজেডি র ৪টি ভোটই কংগ্রেসে গিয়েছে।’ আরজেডি নেতা ভোলা যাদবের কটাক্ষ, ‘দোষারোপের আগে কংগ্রেসের অন্তর্তদন্ত করা উচিত।’ সিপিআই(এমএল) নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও কংগ্রেসের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমাদের বিধায়করা কংগ্রেস প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন।’