Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

লড়তে ইচ্ছুক সিপিএম? আসন ছাড়তে নারাজ সিপিআই

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে দ্বিতীয় হওয়ার পর পালে নতুন হাওয়া পেয়েছে সিপিএম। এরপর ফের উপনির্বাচন রয়েছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। সূত্রের খবর, সিপিএম নেতাদের একাংশ চাইছেন নন্দীগ্রামে দল লড়াই করুক।

লড়তে ইচ্ছুক সিপিএম? আসন ছাড়তে নারাজ সিপিআই
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে দ্বিতীয় হওয়ার পর পালে নতুন হাওয়া পেয়েছে সিপিএম। এরপর ফের উপনির্বাচন রয়েছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। সূত্রের খবর, সিপিএম নেতাদের একাংশ চাইছেন নন্দীগ্রামে দল লড়াই করুক। কিন্তু শরিক দল সিপিআই বলছে, আমরাই ওই আসনে লড়ব। যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে বামফ্রন্টে কোনো বৈঠক হয়নি বলে খবর।

Advertisement

ফলতার ফলাফল এবং হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে সিপিএম ধীরে ধীরে অক্সিজেন পাচ্ছে। এই আবহে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে দল লড়লে ভালো হবে বলে মনে করছে নেতৃত্বের একাংশ। কিন্তু সিপিআইয়ের এক নেতার কথায়, অবশ্যই আমরা লড়াই করতে চাই। সম্ভবত আগে যিনি প্রার্থী ছিলেন তিনিই লড়াই করবেন। ওই নেতার আরও যুক্তি, হঠাত্ করে তো আর বিপ্লব চলে আসবে না! নন্দীগ্রামে তো আইএসএফ প্রার্থী দিয়েছিল। স্থানীয়ভাবে সিপিএমের অনেকে সেখানে আইএসএফকেই সমর্থন করেছিল। কিন্তু আমরা তো প্রায় ১ হাজার ১০০ ভোট বেশি পেয়েছি। অর্থাত্ এটা তো প্রমাণিত সেখানে বামেদের শক্তি বলতে আমরাই। প্রসঙ্গত নন্দীগ্রামের নির্বাচনে সিপিআইয়ের শান্তি গিরি ২ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়েছিলেন। আর আইএসএফের মিরাজ খান ১ হাজার ৮৯৮ ভোট পেয়েছিলেন। দু’জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। এই বিষয়ে সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক বৈঠক শুরু করে দিয়েছি। আমরাই নন্দীগ্রামে লড়াই করব। ফল কী হবে তা তো জানি না। মানুষ ভোট দেবেন। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে বামফ্রন্টে কোনো বৈঠক হয়নি। তবে নন্দীগ্রামে অবশ্যই আমরা লড়াই করতে চাই।’

সম্পর্কিত সংবাদ