Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগে শহরের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিদর্শনে খোদ সিপি

সোমবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের মেগা ইভেন্ট। লক্ষ লক্ষ কর্মী-সমর্থক সেদিন পা মেলাবেন ধর্মতলামুখী মিছিলে। তার দু’দিন আগেই শহরের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পথে নামলেন খোদ পুলিস কমিশনার মনোজকুমার ভার্মা।

২১ জুলাইয়ের আগে শহরের নিরাপত্তা  ও ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিদর্শনে খোদ সিপি
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের মেগা ইভেন্ট। লক্ষ লক্ষ কর্মী-সমর্থক সেদিন পা মেলাবেন ধর্মতলামুখী মিছিলে। তার দু’দিন আগেই শহরের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পথে নামলেন খোদ পুলিস কমিশনার মনোজকুমার ভার্মা। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি মা ফ্লাইওভার ধরে সটান চলে যান পাটুলিতে। সেখান থেকে বেহালা হয়ে যান জোকায়। দক্ষিণ শহরতলির দুই প্রান্তে গিয়ে গড়িয়া ও ঠাকুরপুকুর ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিপি। ২১ জুলাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কর্মী-সমর্থকরা মূলত এই দুই জনপদের উপর দিয়েই বাস, গাড়ি নিয়ে শহরে প্রবেশ করবেন। শনিবার ঠাকুরপুকুর ট্রাফিক গার্ডে বসে সিপি বলেন, ‘একুশে জুলাই কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় কেউ সমস্যায় পড়লে স্থানীয় পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। ওইদিন শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। চালু করা হচ্ছে ৩টি টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর। তার মধ্যে একটি হল ১০৭৩। অন্য দু’টি হেল্পলাইন নম্বর ৯৮৩০৮১১১১১ ও ৯৮৩০০১০০০০।’‌

Advertisement

পুলিসকর্তা আরও বলেন, ‘কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিটি থানা ও ট্রাফিক গার্ডকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওইদিন অতিরিক্ত পুলিস বাহিনী মোতায়েন করা হবে। বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবার, বারাকপুর, বিধাননগর ও হাওড়ার মতো সীমান্তবর্তী জেলার শীর্ষ পুলিস কর্তাদের সঙ্গেও আমরা সমন্বয় বৈঠক করেছি। আমরা আশাবাদী, একুশে জুলাই কোনও সমস্যা হবে না।’‌
লালবাজার সূত্রের খবর, ২১ জুলাই ভোর ৪টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বেশ কিছু রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই রাস্তাগুলি হল আমহার্স্ট স্ট্রিট (উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী), বিধান সরণি (কে সি সেন স্ট্রিট থেকে বিবেকানন্দ রোড), কলেজ স্ট্রিট (দক্ষিণ থেকে উত্তরমুখী), ব্র্যাবোর্ন রোড (উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী), স্ট্র্যান্ড রোড (হেয়ার স্ট্রিট থেকে রাজা উডমুন্ট স্ট্রিট পর্যন্ত), বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট (পূর্ব থেকে পশ্চিম), বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট (দক্ষিণ থেকে উত্তর), নিউ সিআইটি রোড (পশ্চিম থেকে পূর্ব) এবং রবীন্দ্র সরণি (বি কে পাল অ্যাভিনিউ থেকে লালবাজার স্ট্রিট পর্যন্ত)।
ওইদিন শহরে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার পুলিসকর্মী মোতায়েন করা হবে। সভাস্থলকে ১৪টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। কলকাতার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনে একজন করে সাব-ইনসপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন। সাতটি বড় মিছিল শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়, হেঁদুয়া পার্ক, হাজরা পার্ক, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, হাওড়া স্টেশন, শিয়ালদহ স্টেশন ও কলকাতা স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হবে। এছাড়াও শহরের অন্তত 
২২টি জায়গায় জমায়েত হওয়ার 
কথা রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ