Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহার জেলা পরিষদ: পদত্যাগ নিয়ে সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জলিল আহমেদ

পদ আছে অথচ ক্ষমতা নেই। অফিসে আসছেন না গত তিন মাস। সহকারী সভাধিপতি পদে ইস্তফা নিয়ে সোমবার দলের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন জলিল আহমেদ।

কোচবিহার জেলা পরিষদ: পদত্যাগ নিয়ে সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জলিল আহমেদ
  • ৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: পদ আছে অথচ ক্ষমতা নেই। অফিসে আসছেন না গত তিন মাস। সহকারী সভাধিপতি পদে ইস্তফা নিয়ে সোমবার দলের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন জলিল আহমেদ। এদিকে জেলা পরিষদে নিয়মিত আসছেন না সভাধিপতিও। সব মিলিয়ে চরম অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে কোচবিহার জেলা পরিষদে।  

Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই কোচবিহার জেলা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সভাধিপতি সুমিতা বর্মন মাঝেমধ্যে অফিসে আসছেন বলে তিনি নিজেই দাবি করেন। যদিও জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, গত কয়েক সপ্তাহ সভাধিপতিকে অফিসে দেখা যায়নি। জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি জলিল আহমেদ অবশ্য স্পষ্ট বলেছেন, মিটিং ডেকে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কোনো ক্ষমতাই নেই। এভাবে বোর্ড থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো। অফিসে গিয়ে কেন এই বয়সে মানুষের গালাগাল শুনব, অপমান সহ্য করব!   
কোচবিহার জেলা পরিষদে ৩০ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তৃণমূলেরই সদস্য সংখ্যা ২৮ জন। বাকি দু’জন বিজেপির। তৃণমূল পরিচালিত কোচবিহার জেলা পরিষদ বোর্ডের বিরুদ্ধে এখনও কোনো অনাস্থা প্রস্তাব আসেনি বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। 
বৃহস্পতিবার কোচবিহার জেলা পরিষদে গিয়ে দেখা যায় সভাধিপতি এবং কর্মাধ্যক্ষদের ঘর খালি। দুপুর ২টো পর্যন্ত কাউকেই এদিন অফিসে দেখা যায়নি। বোর্ডের বিরুদ্ধে কি তাহলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হচ্ছে? কেন তাঁরা নিয়মিত অফিসে আসছেন না। এদিন টেলিফোনে এসব একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনো উত্তর না দিয়েই ফোন কেটে দেন সভাধিপতি সুমিতা বর্মন। 
প্রশাসনের এক পদস্থ কর্তা বলেন, কোচবিহার জেলা পরিষদে এখনই প্রশাসক বসানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সভাধিপতি, সহকারী সভাধিপতিদের অফিসে আসতে তো কেউ নিষেধ করেনি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ