নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: স্যানিটারি ইনস্পেক্টর অবসর গ্রহণ করেছেন। শূন্যপদ পূরণ হয়নি আজও। দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পুরসভার এক কর্মী। স্থায়ী স্যানিটারি ইনস্পেক্টর না থাকার ফলেই আবর্জনায় ভরছে রাজার শহর। অন্তত এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: স্যানিটারি ইনস্পেক্টর অবসর গ্রহণ করেছেন। শূন্যপদ পূরণ হয়নি আজও। দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পুরসভার এক কর্মী। স্থায়ী স্যানিটারি ইনস্পেক্টর না থাকার ফলেই আবর্জনায় ভরছে রাজার শহর। অন্তত এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এনিয়ে অবশ্য পুর কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। তবে কোচবিহার পুরসভার এক পদস্থ কর্তা বলেন, স্যানিটারি ইনস্পেক্টর নেই। তবে সেই দায়িত্ব অন্য একজন সামলাচ্ছেন। সীমিত ক্ষমতার মধ্যে শহর নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে।
কোচবিহার রাজার শহর। রাজারা তৎকালীন সময়ে সুপরিকল্পিতভাবেই শহর সাজিয়ে তুলেছেন। যা এখন আবর্জনার স্তূপে ঢেকেছে। শিবকালী মোড় থেকে ভবানী বাজার যেন অস্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পরিণত হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাগরদিঘি থেকে বিএসএনএল, সিএমওএইচ অফিসের রাস্তা ধরে বড়োদেবীর মন্দিরে রাস্তায় যেখানে সেখানে জমেছে আবর্জনার স্তূপ। এছাড়াও কাছারি মোড়, তেঁতুলতলা, গোলবাগানেও একই অবস্থা।
শুধু যে রাস্তাঘাট আবর্জনায় ভরা তা নয়, খোলা নিকাশিনালায় অবাধে আবর্জনা ফেলছেন স্থানীয় একাংশ বাসিন্দা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ, নিয়মিত শহর সাফাই করা হয় না। সেজন্যই রাস্তাঘাটে, খোলা নর্দমায় আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার কোচবিহার পুরসভার সাফাই কর্মসূচি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে শহরেরই বাসিন্দা পঙ্কজ বুচ্ছা বলেন, পুরসভায় স্যানিটারি ইনস্পেক্টর নেই। আবর্জনা সাফাইয়ের অর্ধেক গাড়ি বিকল। আমরা সচেতন নাগরিক হিসাবে এই বিষয়গুলো পুর প্রশাসকের কাছে তুলে ধরব। দ্রুত স্থায়ী স্যানিটারি ইনস্পেক্টর নিয়োগ করলে সমস্যার সমাধান সম্ভব।