Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সরকারি অনুমোদন নেই বেড, লোকবলের! আর জি করের ট্রমা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল ২০১৭ সালে। প্রায় ১০ বছর হতে চলেছে। আর জি কর মেডিকেল কলেজের ট্রমা সেন্টারের বেড ও লোকবল, কোনোটারই আজও কোনো সরকারি আর্থিক অনুমোদন নেই।

সরকারি অনুমোদন নেই বেড, লোকবলের! আর জি করের ট্রমা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক
  • ২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল ২০১৭ সালে। প্রায় ১০ বছর হতে চলেছে। আর জি কর মেডিকেল কলেজের ট্রমা সেন্টারের বেড ও লোকবল, কোনোটারই আজও কোনো সরকারি আর্থিক অনুমোদন নেই। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে পুরুষ, মহিলা ওয়ার্ড, আইসিইউ, এইচডিইউ সহ সার্জিক্যাল এবং অর্থোপেডিক বিভাগের বিভিন্ন শাখা মিলিয়ে এখানে ৭৩৫টি বেড রয়েছে। ডাক্তার, নার্স, টেকনোলজিস্ট, স্বাস্থ্যকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী—সব মিলিয়ে লোকবলও নেহাত কম নেই। কিন্তু কোনোটারই সরকারি আর্থিক অনুমোদন নেই। গত কয়েক বছর ধরে বিষয়টি জানিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে একাধিকবার ফাইল পাঠিয়েছেন হাসপাতালের কর্তারা। কিন্তু আজও তা হয়নি। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নেব।’ 

Advertisement

এদিকে, আর জি করে লিফট-কাণ্ডে পুলিশ হেপাজতে থাকা ৫ অভিযুক্তকে শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে তোলা হয়। সরকারি কৌঁসুলি স্নেহাংশু ঘোষ আদালতে দাবি করেন, মামলার তদন্তে অগ্রগতির যাবতীয় তথ্য কেস ডায়েরিতে রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের পুলিশ হেপাজতে নেওয়ার প্রয়োজন আছে। এরপরই বিচারক পাঁচ জনকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত ফের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। এদিন দুই অভিযুক্তের তরফে আইনজীবী সপ্তর্ষি ঘোষ আদালতে বলেন, ‘আমাদের মক্কেলরা সাধারণ লিফটম্যান। সমস্ত কিছু তাঁদের দেখার কথা নয়।’ প্রত্যুত্তরে সরকারি আইনজীবী বলেন, ‘যেহেতু তাঁরা লিফট চালানোর কাজে যুক্ত, তাই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।’ সওয়াল-জবাব শেষে ধৃতদের ফের পুলিশ হেপাজত দেন বিচারক।      

সম্পর্কিত সংবাদ