Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাইপলাইন বসানোকে কেন্দ্র করে চুক্তিভিত্তিক পুরকর্মীদের মারধর

পাইপলাইন বসানোকে কেন্দ্র করে চুক্তিভিত্তিক পুরকর্মীদের মারধর
  • ৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘পুরসভার নিকাশি পাইপলাইন বসানো যাবে না। পারমিশন নেওয়া হয়নি। তাই কাজ বৈধ নয়।’ প্রাণহানির হুমকি দিয়ে কলকাতা পুরসভার চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপর হামলা চালাল একদল দুষ্কৃতী। সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আনন্দপুর থানা এলাকার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। হামলার জেরে জখম হয়েছেন ৩-৪ জন কর্মী। এই ঘটনায় আনন্দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিস। যদিও এই ঘটনার জেরে থানার বিরুদ্ধেই নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলার সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ)। 

Advertisement

আনন্দপুর থানা এলাকার গুলশান কলোনি। এখানেই কয়েক সপ্তাহ ধরে নিকাশি পাইপ লাইনের কাজ চলছিল। এদিন সকালেও কাজে যান চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা। আচমকাই সেখানে হাজির হয় ১০-১২ জন যুবক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তাঁদের হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র। প্রাথমিকভাবে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বাঁধে। কাজ বন্ধ করতে বলা হয়। ভাঙচুর করা হয় পুরসভার জেসিবি। এরপরেই দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। তাতেই ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাথা ফাটে কয়েকজন পুরকর্মীর। দুষ্কৃতীদের হুমকি, ‘ফের এখানে কাজ শুরু হলে কাউন্সিলারকে গুলি করব।’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ১০৮ নম্বরের ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা বরো চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ। তার আগেই দুষ্কৃতী সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলেই স্থানীয় সূত্রের খবর। সুশান্ত ঘোষ বলেন, ‘এই হামলা ও হুমকি এর পিছনে কার হাত রয়েছে, খতিয়ে দেখুক থানা। এর আগেও গুলশান কলোনিতে পুরসভার কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করেছে দুষ্কৃতীরা। তখনও থানায় জানানো হয়েছিল। কিন্তু থানা কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’ খোদ আনন্দপুর থানার বিরুদ্ধেই ক্ষোভপ্রকাশ করেন বরো চেয়ারম্যান। তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনের উপর মহলে ঘটনার বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে।’
কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘যারা গায়ে হাত দিয়েছে, তারা আমার গায়ে হাত দিয়েছে। পুলিসকে বলব, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিছু অপদার্থ পুলিস রয়েছেন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা পুলিসের কাজ। এটা অন্যায় হয়েছে। গুন্ডামি বরদাস্ত নয়। এটার জন্য স্পষ্ট ধারা আছে, সেই অনুযায়ী শাস্তি দরকার।’ লালবাজার জানিয়েছে, ‘নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ