Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পৌঁছল ‘কন্টেনার হাউজ’, আংশিক দুর্গতদের হাতে আজ আর্থিক অনুদান

হাওড়ায় ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসন দিতে কাজ শুরু হল। বুধবার সকালে অস্থায়ী শিবির তৈরির জন্য নিয়ে আসা হয়েছে সাতটি কন্টেনার। একটি খেলার মাঠে সেগুলি রাখা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পৌঁছল ‘কন্টেনার হাউজ’, আংশিক দুর্গতদের হাতে আজ আর্থিক অনুদান
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়ায় ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসন দিতে কাজ শুরু হল। বুধবার সকালে অস্থায়ী শিবির তৈরির জন্য নিয়ে আসা হয়েছে সাতটি কন্টেনার। একটি খেলার মাঠে সেগুলি রাখা হয়েছে। কন্টেনারগুলিতে ওয়েল্ডিং করে দরজা ও জানালা কেটে ভিতরে স্টিলের ফ্রেম বসানো হবে। তাপ ও আগুন প্রতিরোধক ইলেকট্রিক ওয়ারিং হবে অন্দরমহলে। এরপর দেওয়ালে মেলামাইন বোর্ড, সিলিংয়ে জিপসাম বোর্ড ও মেঝেতে ফ্লোরম্যাট লাগিয়ে রং করে প্রস্তুত হবে ঝাঁ চকচকে ঘর। থাকবে রান্নার জায়গা ও শৌচালয়। একটি কন্টেনারে তিনটি পরিবার থাকতে পারবে।

Advertisement

এর পাশাপাশি বেলগাছিয়া ভাগাড় ভূমিধসকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তির বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দিতে বুধবার এফ রোড সংলগ্ন বস্তিগুলিতে সার্ভে হয়। সরাসরি ও আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের পৃথক তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। যাঁদের বাড়িঘর সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে তাঁদের আপাতত থাকার জন্য থাকবে কন্টেনার। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অনেকেই শিবিরে যেতে চাইছেন না। এখানে এনে রাখা হবে তাঁদের। সয়েল টেস্টের রিপোর্ট এলে ওঁদের জন্য পাকাপাকিভাবে হাউজিং নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এর পাশাপাশি জানা গিয়েছে, আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর মেরামত করার জন্য আজ আর্থিক অনুদান তুলে দেবে রাজ্য সরকার। ভাগাড় সংলগ্ন এফ রোডের উত্তর অংশে কয়েকটি ছোট ঝুপড়ি রয়েছে। সে ঘরগুলিতে ছোট ফাটল ধরেছে। সেগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বাসিন্দাদের হাতে ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ দিচ্ছে রাজ্য। সেই টাকায় ঘর মেরামত করবেন ওঁরা।
প্রসঙ্গত কন্টেনার দিয়ে বাসস্থান তৈরির কাজকে স্থাপত্যবিদ্যার পরিভাষায় বলে ‘মডিউলার হাউজিং’। বর্তমানে কন্টেনার ব্যবহার করে অস্থায়ী প্রকল্প অফিস, স্টাফ কোয়ার্টার ও রিসর্ট তৈরি হচ্ছে। এর কারণ, কন্টেনার হাউজ বানাতে ইট, বালি বা সিমেন্টের প্রয়োজন পড়ে না। তাছাড়া এগুলি পরিবেশবান্ধব। পাশাপাশি নির্মাণের সময় ও খরচ বাঁচে। ভূমিকম্প, ঝড়ের মতো দুর্যোগের সময় সাধারণ ঘরের চাইতে বেশি নিরাপত্তাও দেয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ