নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আট মাস পর ভোট। কিন্তু এখন থেকেই কংগ্রেসে শুরু হয়ে গিয়েছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। প্রেক্ষাপট পাঞ্জাব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নির দ্বন্দ্ব অব্যাহত। তাই এবার আর আগের মতো কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী মুখ করে লড়বে না বলেই ঠিক করেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। তবে তারই মধ্যে রাজা ওয়ারিং এবং চান্নিকে একজোট করা কংগ্রেসের কাছে তা একপ্রকার চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এআইসিসির পক্ষে পাঞ্জাবের ইনচার্জ তথা ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের উপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে। দুই শিবিরের সঙ্গেই ঘন ঘন বৈঠক করে তাদের মতামত সংগ্রহ করছেন বাঘেল। শীঘ্রই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেবেন বলেই এআইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে। আজ শনিবার চরণজিৎ সিং চান্নির সঙ্গে বাঘেল আলাদা করে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও রাজা ওয়ারিং জানিয়েছেন, আমাদের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য নেই। কংগ্রেস একজোট।
এদিকে, কংগ্রেসের এই অর্ন্তদ্বন্দ্বের আবহে সিঁধ কাটার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। পাঞ্জাবে কোনোদিন বিজেপি একা সরকার গড়তে পারেনি। শরিক শিরোমণি অকালি দলের শক্তির ভরসাতেই শাসন করেছে। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গ দখলের পর পাঞ্জাবে প্রত্যাশা বেড়েছে। সেই মতো মোদি-শাহ জুটি চাইছেন, কংগ্রেস ভেঙে বিজেপিতে যোগ দিন নেতা, সাংসদরা। তাই কংগ্রেসের সামনে একদিকে ঘর সামাল দেওয়া, অন্যদিকে ভাঙন আটকানোও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলন্ধরের সাংসদ চান্নিকে কংগ্রেস রাজ্যে ভোটের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান করেছে। কিন্তু তাঁর রাগ, কেন লুধিয়ানার সাংসদ রাজা ওয়ারিংকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরানো হল না।