নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ শুরু পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের (২৩ এপ্রিল) ভোটে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া। তার আগে রবিবার রাজ্যের ২৮৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস। বাকি ১০ আসনে কবে ঘোষণা, কাদের নাম, তা স্পষ্ট করেনি রাহুল গান্ধীর দল। এদিন প্রকাশিত তালিকায় নাম নেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের। নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সির নামও। তবে কি তাঁরা জেতার সম্ভাবনা রয়েছে এমন আসন খুঁজে পাচ্ছেন না? নাকি দাঁড়াবেনই না? যদিও বাংলার ‘স্ক্রিনিং কমিটি’র চেয়ারম্যান কর্ণাটকের নেতা বি কে হরিপ্রসাদ জানিয়েছেন, ‘বাংলার সব পুরনো নেতানেত্রীকেই এবার প্রার্থী হতে অনুরোধ করেছি।’ আজ, সোমবার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি কংগ্রেসে যোগদান করবেন বলে জানিয়েছে এআইসিসি। তাই রবিবার ১০ টি আসনে নাম ঘোষণা হয়নি।
এবার ফের বিধানসভায় লড়ছেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। ২০২৪ সালে লোকসভায় হেরে যাওয়ার পর এবার নিজের এলাকা বহরমপুর আসন থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘দলের সৈনিক হিসেবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে লড়ব। লড়াই করাই আমার ধর্ম।’ মালদহের মালতিপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য মৌসম বেনজির নুর। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর পুত্র রোহনকে কংগ্রেস বালিগঞ্জ কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের পুত্র রণজিতকে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পছন্দ মতো বিধাননগর থেকে। আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে রাসবিহারী কেন্দ্রে। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কংগ্রেসের দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি প্রদীপ প্রসাদ। নন্দীগ্রাম আসনে দলের যুব মুখ শেখ জরিয়াতুল হোসেন। উত্তরবঙ্গের নাটাবাড়ি থেকে বিশ্বজিৎ সরকার। বাঘমুণ্ডি থেকে নেপাল মাহাত। ২০১৬-২০২১ পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন এমন কয়েকজন টিকিট পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, রায়গঞ্জের মোহিত সেনগুপ্ত, হরিশ্চন্দ্রপুরের মোস্তাক আলম, চাঁচলে অসিফ মেহবুব। তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অমল আচার্যকে ইটাহার কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে।