নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৬ সালের পর ২০২৬। বিধানসভায় পরিষদীয় দল গঠন করল কংগ্রেস। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছিল ৪৪টি আসনে। সেই সময় তারাই প্রধান বিরোধী দলের তকমা পায়। বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন কংগ্রেসের আব্দুল মান্নান। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস একটি আসনও জিততে পারেনি। ফলে তারা বিধানসভায় পরিষদীয় দল গঠন করতে পারেনি। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে দু’টি আসনে। যার ভিত্তিতে দু’জন বিধায়ককে নিয়েই কংগ্রেস পরিষদীয় দল গঠিত হল। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে শনিবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা জুলফিকার আলি, উপদলনেতা মোতাব শেখ। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএফএফ-এর মাত্র একজন বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি রয়েছেন। গতবারও তিনি জিতেছিলেন। আইএসএফের একজন বিধায়কেরই পারফরম্যান্স যথেষ্ট নজর কেড়েছে রাজ্যবাসীর। এবার দেখার, কংগ্রেসের দু’জন বিধায়ক বিধানসভায় কেমন উপস্থাপনা করেন। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, দু’জন বিধায়কই মানুষের স্বার্থে কথা বলবেন। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, অভাব, অভিযোগ, চাওয়া-পাওয়ার বিষয় তুলে ধরবেন। ২০ জুন বিজেপির তরফে রাজ্যজুড়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়েছে। পালটা কংগ্রেস একটি কর্মসূচি নিয়েছিল। বাংলা ভাগের ইতিহাস ও বিজেপির ‘মিথ্যা প্রচারের’ বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল গণ অবস্থানের। বিধান ভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারসহ অন্যান্য নেতা। সেখানে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। দেশজুড়ে বিজেপি যে ধরনের কর্মকাণ্ড করছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন শুভঙ্কর। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রে বিজেপির শাসনকালে শুধু ভাগাভাগি আর মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলার ঘটনাই সামনে এসেছে।



