Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলা জমি ভরাট নিয়ে চাঞ্চল্য রহড়ায়, মন্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার শিল্প সংস্থার

রহড়া থানার বন্দিপুর এলাকায় জলা জমি ভরাট নিয়ে ফের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার খোদ মন্ত্রী তথা বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজে গিয়ে জমি ভরাটের প্রতিবাদ করেন।

জলা জমি ভরাট নিয়ে চাঞ্চল্য রহড়ায়, মন্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার শিল্প সংস্থার
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রহড়া থানার বন্দিপুর এলাকায় জলা জমি ভরাট নিয়ে ফের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার খোদ মন্ত্রী তথা বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজে গিয়ে জমি ভরাটের প্রতিবাদ করেন। যদিও জমি ভরাটের কাজ করা শিল্প সংস্থার দাবি, নভেম্বর মাসে এনিয়ে অভিযোগ হয়েছিল। আমরা সমস্ত কাগজ দেখিয়েছি। আইন মেনে রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। আমরা ফের কাগজ দেখাতে তৈরি। কেন আমাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ বোধগম্য হচ্ছে না। 

Advertisement

রহড়া থানার কল্যাণী এক্সপ্রসেওয়ে লাগোয়া জমি এখন সোনার থেকেও দামি। গত সপ্তাহে পাতুলিয়া এলাকায় সরকারি পুকুর মাটি ফেলে ভরাটের অভিযোগ উঠেছিল গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলের দলবলের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই তিনদিনের মধ্যে পুকুর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার জলা জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে রহড়া থানার বন্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া দোপেড়িয়া এলাকায় এক শিল্প সংস্থার জমি রয়েছে। সেই জমিতে ঢোকার রাস্তায় ইমারতি সামগ্রী ফেলে ভরাট করা হচ্ছিল। বুধবার দুপুরে সেখানে গিয়ে জমি ভরাটের প্রতিবাদ জানান শোভনদেববাবু। যদিও শিল্প সংস্থার তরফে জানানো হয়, গত ১৭ নভেম্বর এনিয়ে অভিযোগ হয়েছিল। রহড়া থানার পুলিশ কাজ বন্ধ করে কাগজপত্র চেয়েছিল। বিএলআরও তদন্তে এসেছিলেন। রেকর্ডে রয়েছে ওই জমি শালি জমি। তা কমার্সিয়াল কনভার্সান করা হয়েছে। কল্যাণী এফসিআই গোডাউন থেকে রাবিস এনে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। তার সরকারি চালানও রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র দেখানোর পর প্রশাসন সন্তুষ্ট হলে ফের কাজ শুরু করা হয়েছে। জলাশয় ভরাটের অভিযোগ সঠিক নয়।
যদিও শোভনদেববাবু সংবাদমাধ্যমে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে জলাশয় ভরাট বন্ধ করতে হবে। অথচ ওখানে একটা বড়ো জলাশয় ভরাটের কাজ চলছে। আমি বরাবর জলা জমি ও পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে। তাই ছুটে এসেছি। রহড়া থানার ওসিকে ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ কমিশনারকে জানিয়ে এখানে এসেছি। জলাশয় ভরাটে জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে হবে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। ভরাট হওয়া জলাশয় থেকে মাটি তুলে ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়াই আমার লক্ষ্য। মন্ত্রীর অভিযোগ নিয়ে রহড়া থানার তরফে কোনও মন্তব্য করতে চাওয়া হয়নি। কমিশনারেটের তরফে জানানো হয়েছে, আগেও অভিযোগ হওয়ায় ওই কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। সেবার বিএলআরও তদন্তের পর কাজ শুরু হয়েছিল। বুধবার অভিযোগ পেয়ে ফের কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। বিডিওকে তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ