সৌরাংশু দেবনাথ, কলকাতা: রাশিয়ার পর কাতার! ২০১৮’র মস্কোর পর ২০২২’র লুসেইল। ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই গ্যালারিতে অবধারিত হাজির থেকেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। চার দশক আগে মেক্সিকো বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার জাদুকরী সম্মোহন পরিণত করেছিল আর্জেন্তিনার সমর্থকে। এখন মজে রয়েছেন মেসিতে। তবে নীল-সাদা জার্সির মহানায়কের হাতে ফের কাপ দেখার আশা যতই উত্তুঙ্গ থাক, ইচ্ছা থাকলেও মার্কিন মুলুকে যাওয়া হচ্ছে না। প্রবল ব্যস্ততাই কাঁটা। রাত জেগে টিভির পর্দায় চোখ রাখার চেনা রুটিনে যদিও বাধা পড়বে না। সিএবি’র ক্লাবহাউসে বসে বলেই ফেললেন, ‘আমি মেসির ভক্ত। গতবারও কাপটা উঠেছিল ওর হাতে। এবারও সেটা চাইছি। রোনাল্ডো যতই খেলুক, বিশ্বকাপ জিততে গেলে দলটা ভালো হতে হয়। একজনের পক্ষে জেতানো সম্ভব নয়।’
ক্রিকেটবিশ্ব আবার এখন তোলপাড় বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে ১৫ বছর বয়সির অভিষেকের দিকে তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা। সৌরভও অপেক্ষায়, ‘অভিষেক, সঞ্জু, শ্রেয়স, ঈশান, তিলক, শিবম দুবে— দলে অনেকে। দেখা যাক কোথায় নামায় বৈভবকে। ও দারুণ প্লেয়ার। দুর্দান্ত প্রতিভা। প্রচণ্ড শক্তিশালী। হি ইজ ন্যাচারাল। দীর্ঘদিন খেলবে কিনা, তা সময় বলবে। তবে টি-২০ ফরম্যাটে দাপট দেখানো উচিত। টেস্টে কী করবে, সেটা বলা মুশকিল। আগে তো লাল বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করুক!’ ১৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল শচীন তেন্ডুলকরের। মাস্টার ব্লাস্টারকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন সৌরভ। এখন নজরে পড়ছে বৈভবের উত্থান। তবে তুলনায় তীব্র অনীহা। সাফ বললেন, ‘এই প্রশ্নটা হয়ই না! কীসের তুলনা? শচীন একদিনে হয়নি। ২৫ বছর ধরে রাজত্ব করেছে বিশ্বক্রিকেটে। বৈভবের সবে শুরু। দেশের হয়ে খেলতে দিন না! তাড়া কীসের? তবে আইপিএলে অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ের পর জাতীয় দলে সুযোগটা প্রাপ্যই।’