নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ‘আরশোলা’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক। আর তার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতারাতি গড়ে ওঠে প্যারোডি সংগঠন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শুরু থেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঝড় তুলেছে এই পার্টি। রকেটের গতিতে বাড়ছে ফলোয়ার সংখ্যা? পাঁচদিন আগে তৈরি এই মঞ্চ ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যায় ছাপিয়ে গেল বিজেপিকে। ইতিমধ্যেই @cockroachjantaparty নামে হ্যান্ডলটির ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ইনস্টাতে বিজেপির ফলোয়ার
সংখ্যা ৮৯ লক্ষের মতো। আরশোলা পার্টি পিছনে ফেলে দিয়েছে ১৪৩ বছরের পুরনো কংগ্রেসকেও (১ কোটি ৩৩ লক্ষ)।
কোনো নির্বাচনি প্রতীক, সদরদপ্তর, নেতার মুখ, সরকারি সংগঠন না থাকা সত্ত্বেও তাদের এই বাড়বাড়ন্ত রাজনৈতিক মহলেও চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার আরশোলা পার্টির এক্স হ্যান্ডল ভারত থেকে দেখা যাচ্ছিল না। এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধে। এরইমধ্যে তারপরই ‘ককরোচ ইস ব্যাক’ নামে আরও একটি অ্যাকাউন্ট প্রকাশ্যে আসে। এই সোশ্যাল মিডিয়া সংগঠনের নেপথ্যে অভিজিৎ দিপকে। আরশোলা পার্টির এই প্রতিষ্ঠাতা জানান, গতকাল থেকেই আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক
করার চেষ্টা চলছে। সেদিক থেকে হ্যান্ডল ব্লক করে দেওয়া প্রত্যাশিতই ছিল। এটা সরকারের আত্মঘাতী গোল। এরপরই দিপকে লিখেছেন, এবার আমি এক্স হ্যান্ডলে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট খুলছি। নাম ‘ককরোচ ইস ব্যাক’।
তুমুল জনপ্রিয়তার মধ্যেই এবার গ্রেপ্তারির আশঙ্কা করছেন দিপকে। বর্তমানে তিনি আমেরিকার বস্টনে রয়েছেন। সেখানেই পড়াশুনো করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ফলোয়ার সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। তাতে আমি খুব একটা খুশি নই। কী হবে এই বাড়তি জনপ্রিয়তায়? কারণ মূল সমস্যাগুলি একই থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পরই দিল্লি পুলিশের কনভয় আমায় তিহার জেলে নিয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। এদিকে, জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা ককরোচ জনতা পার্টির ট্রেডমার্ক পেতে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। এই নামে অধিকার পেতে ইতিমধ্যেই তিনটি আবেদন জমা পড়েছে। সরকারি সূত্রে এমনই খবর।