


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিটিং, মিটিং আর মিটিং। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই নিজেদের পায়ের তলার জমি শক্ত করতে পাড়ায় পাড়ায় বৈঠক শুরু করেছে। আর টানা তিন ম্যাচে পয়েন্ট খুইয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড় কষ্টকর করে তুলেছে ইস্ট বেঙ্গল। আগামী সোমবার মহমেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টায় মশাল বাহিনী। তাই দফায় দফায় ফুটবলারদের নিয়ে মিটিংয়ে ব্যস্ত লাল-হলুদ থিঙ্কট্যাঙ্ক।
বুধবার বিকেল সাড়ে চারটেয় যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে মহড়া শুরু হওয়ার কথা ছিল মিগুয়েলদের। কিন্তু তাঁরা মাঠে নামলেন পাঁচটায়। তার আগে থংবই সিংটোর সঙ্গে আলোচনা চলছিল ফুটবলারদের। পরের ৩০ মিনিট হল ফিজিক্যাল ট্রেনিং। তত্ত্বাবধানে সেই থংবই। এরপর দল হাতে পেলেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। প্রথম ১০ মিনিট পাসিং ফুটবলের মহড়ার পর স্প্যানিশ কোচ আবার ইউসেফদের নিয়ে একপ্রস্ত মিটিং করলেন। ইস্ট বেঙ্গল প্র্যাকটিসের এই ছবিটাই বলে দিচ্ছে কোচ অস্কারের ডানা ছাঁটার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ময়দানে অবশ্য এই ঘটনা নতুন নয়। কোভিড জমানার আগেই খালিদ জামিলের সময়েও এমনটা দেখা গিয়েছিল। তাঁর মাথার উপর টিডি করে আনা সুভাষ ভৌমিক দলের অনুশীলন দেখতেন। আর ভবঘুরে ছেলের মতো মাঠে ঘুরে বেড়াতেন কর্তাদের চক্ষুশূল হয়ে ওঠা মুম্বইকর। সময়ের সঙ্গে বদলেছে কেবল ব্যক্তির নাম। ময়দানের ভোম্বলদার জায়গায় এখন থংবই এবং খালিদের বদলে অস্কার। তবে চেষ্টায় কোনও কসুর রাখতে চান না স্প্যানিশ কোচ। এদিন অনুশীলনে উইং প্লে’র উপর জোর দিতে দেখা গেল তাঁকে। পাশাপাশি রক্ষণে অনোয়ার আলির সঙ্গে মার্তণ্ড রায়নাকেও এদিন ঝালিয়ে নিলেন স্প্যানিশ কোচ। চলতি আইএসএলে এখনও পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি মহমেডান স্পোর্টিং। তবু হালকাভাবে এই ম্যাচ নিতে চাইছেন না কোচ অস্কার। আসলে তিনি বুঝেই গিয়েছেন, পান থেকে চুন খসলেই তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।