নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুব্রত ভট্টাচার্য, রহিম নবি থেকে দুলাল বিশ্বাস, ভারতীয় ফুটবলকে একের পর এক তারকা ফুটবলার উপহার দিয়েছেন মুরারী শূর। বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন দীর্ঘদিন। বৃহস্পতিবার ভোরে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন প্রাক্তন কোচ। কিংবদন্তি মুরারী শূরের (৮৬) প্রয়াণে শোকের ছায়া ময়দানে। গুরুপ্রয়াণে সুব্রত ভট্টাচার্যের স্মৃতিচারণ, ‘মুরারীদাই হাত ধরে আমায় ফুটবল শিখিয়েছিলেন। বালি প্রতিভায় নিয়ে যান তিনিই। আমার ফুটবল কেরিয়ারে ওঁর অবদান ভোলার নয়।’
শ্যামনগরে যুগের প্রতীকের মাঠে অনুশীলন করাতেন মুরারী শূর। তবে গঙ্গা পেরিয়েও তাঁর খ্যাতি তুঙ্গে পৌঁছেছিল। ২০২২ সালে প্রবীণ কোচকে ‘দীপক জ্যোতি’ সম্মানে ভূষিত করে ইস্ট বেঙ্গল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ক্রীড়াগুরু সম্মান তুলে দেওয়া হয়। মুরারী শূর ছিলেন কোচেদেরও গুরু। বাঘা সোম, খোকন বসু মল্লিকের মতো কোচেরা জহর চিনতে ভুল করতেন না। প্রতিভা চিনে স্বার্থহীনভাবে পরিচর্যা করার নেশা ছিল তাঁদের চোখে। প্রচারের বৃত্তের বাইরে থাকা মুরারী শূরও কাজ করেছেন নিঃশব্দেই। জেলা ফুটবলে এমন দ্রোণাচার্যেরই বড় অভাব। মুরারী শূরেরা তাই থেকে যাবেন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে।