নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ২০ মে রাজ্যে সম্পূর্ণভাবে সিএএ আইন কার্যকর করেছে পশ্চিমবঙ্গের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার। অর্থাৎ সেদিন থেকেই অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করে তাঁদের নিজেদের দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে রাজ্যে। শনিবার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিতকরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, এদিন জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের আরও গুরুত্ব দিয়ে এই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করার কাজ বসিরহাট মহকুমা প্রশাসনের কাজের প্রশংসা করে অন্যান্য জায়গায়ও সমান গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র বসিরহাট মহকুমা এলাকাতেই প্রায় ১৫০০ জন অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করতে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরআরও) প্রদত্ত তথ্য এবং এসআইআরে নাম বাদের তালিকা ব্যবহার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
রাজ্যে সরকার গঠনের ১১ দিনের মাথায় অনুপ্রবেশকারীদের দেশের বাইরে পাঠানো শুরু করার গ্রিন সিগন্যাল দেন শুভেন্দু। ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’-এর নির্দেশ দেন তিনি। সেই মতো এই কাজকে বর্তমান সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে হোল্ডিং সেন্টার প্রস্তুত রেখে দ্রুততার সঙ্গে এই কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতায় এসে রাজ্যে জনগণনার কাজ চালু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এদিন এই ইস্যুতেও জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের দল গঠনের বিষয়টিও অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তাই দ্রুততার সঙ্গে সেই কাজ সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সেনসাস কমিশনার জেলায় জেলায় গিয়ে পরিদর্শন সেরে কাজের অগ্রগতি সুনিশ্চিত করবেন।



