সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কংগ্রেসের সংগঠন সৃজন অভিযান কর্মসূচি। উপস্থিত কেরল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা প্রদেশ কংগ্রেসের হাওড়া গ্রামীণ জেলার পর্যবেক্ষক কেপি শ্রীকুমার। তাঁর সামনেই হাতহাতিতে জড়িয়ে পড়ল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী। রবিবার দুপুরে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নোনা এলাকায় কংগ্রেসের জেলা কার্যালয়ে এই ঘটনায় সভাপতি আলম দেইয়ানকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠল বিরোধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এমনকী সভাপতির অপসারণ চেয়ে পর্যবেক্ষকে চিঠিও দিলেন বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন।
কংগ্রেসের সংগঠন সৃজন অভিযানে শনিবার কে পি শ্রীকুমার কলকাতায় এসেছেন। রবিবার তাঁর উলুবেড়িয়ায় দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করার কথা ছিল। সেইমত এদিন বেলায় উলুবেড়িয়ায় আসেন কে পি শ্রীকুমার। অভিযোগ এদিন কার্যালয়ের ভিতরে তাঁর সামনেই দু’পক্ষের লোকজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। সভাপতি আলম দেইয়ানকে হেনস্তা করার পাশাপাশি তার পাঞ্জাবি ছিড়ে দেওয়া হয়। পরে অবশ্য পরিস্থিতি শান্ত হয়।
প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক তাপস কোদালি অভিযোগ করেন, এদিন পর্যবেক্ষকে কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় দলের বর্ষীয়ান নেতা রণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তা করেন সভাপতি গোষ্ঠীর লোকজন। এমনকী কার্যালয়ের ভিতরেও সভাপতি হুমকি দিতে থাকেন। এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সভাপতির একাধিক সংগঠন বিরোধী কাজের জন্য আমরা তাঁর অপসারণ চেয়ে চিঠি দিয়েছি। পর্যবেক্ষক বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানাবেন বলেছেন।
অন্যদিকে, আলম দেইয়ান জানান, যাঁরা দীর্ঘদিন দলবিরোধী কাজ করছেন, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। যাঁরা অধীর চৌধুরী জিন্দাবাদ বলেন, তাঁরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। অপসারণের দাবি প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ওঁরা ওঁদের কথা বলেছেন। পর্যবেক্ষক তিনদিন এখানে থাকবেন। আমার পক্ষের লোকেরাও কথা বলবেন। এই হাতাহাতি প্রসঙ্গে কেপি শ্রীকুমার বলেন, এটা রাজনৈতিক দলে হয়েই থাকে। তবে কর্মীদের আরও শৃঙ্খলাপরায়ণ হওয়া উচিত। সেটা না হলে সংগঠন শক্তিশালী হবে না।