বাংলাদেশ
পদ্মাপাড়ের দেশ মানেই উগ্র ক্রিকেটপ্রেম। তার উপর ভারতের সঙ্গে দ্বৈরথের রাজনৈতিক তাৎপর্যও থাকছে। কোনও সন্দেহ নেই, টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে নাজমুল হোসেন শান্ত ব্রিগেড।
শক্তি
৫০ ওভারই বাংলাদেশের সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট। মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহর মতো অভিজ্ঞরা রয়েছেন। সৌম্য সরকার, মেহেদি হাসান মিরাজ, তানজিম হাসান সাকিবরা ব্যাটিং-বোলিং, উভয় বিভাগেই দক্ষ। মুস্তাফিজুর রহমানের ‘কাটার’ মন্থর পিচে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।
দুর্বলতা
ধারাবাহিকতার অভাব বাংলাদেশের বড় সমস্যা। বড় আসরে প্রায়শই দক্ষতার প্রকাশ ঘটাতে পারে না তারা। অফ-ফর্মের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্কোয়াডে জায়গা পাননি লিটন দাস। অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিও ভোগাতে পারে।
সম্ভাবনা
সম্প্রতি আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ছয়টি একদিনের ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। তাই তাদের শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা কম।
নজরে যাঁরা
মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন।
সেরা পারফরম্যান্স
২০১৭ সালের সেমি-ফাইনালিস্ট।
নিউজিল্যান্ড
সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কিউয়িরা বরাবরই ভারতের মস্তবড় গাঁট। ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল তারই উদাহরণ। দলে তারকা যতই কম থাক, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অন্যতম ফেভারিট ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
শক্তি
কেন উইলিয়ামসন, ডেভন কনওয়ে, টম লাথাম, রাচীন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপসদের উপস্থিতিতে ব্যাটিং রীতিমতো শক্তিশালী। শুরুতে ও শেষে ঝড় তোলার মতো ‘পাওয়ারহিটার’ রয়েছে। তার উপর উপমহাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে দলের প্রায় সকলেরই। বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে সাম্প্রতিক ভারত সফরে ঐতিহাসিক সাফল্য। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের নিখুঁত বোলিংও দলের বড় শক্তি।
দুর্বলতা
নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে রয়েছে অভিজ্ঞতার অভাব। দুই সিনিয়র পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদিকে ছাড়াই দীর্ঘদিন পর কোনও আইসিসি ইভেন্টে নামছে কিউয়িরা। লকি ফার্গুসনের খেলা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। চোটের জন্য শেষ মুহূর্তে ছিটকে গিয়েছেন পেসার বেন সিয়ার্স। ফলে পেস আক্রমণ চিন্তায় রাখছে সমর্থকদের। এই অবস্থায় ম্যাট হেনরিকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে।
সম্ভাবনা
দলে বেশ কয়েকজন অলরাউন্ডার থাকায় ব্যাটিং গভীরতা যথেষ্ট। তবে মাঝের ওভারে স্পিনারদের বিরুদ্ধে কীভাবে খেলেন উইলিয়ামসনরা, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দুবাইয়ে ভারতের স্পিন ত্রিফলাকে সামলানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের আব্রার ও বাংলাদেশের রিশাদ-মিরাজকে বশে রাখাও কিউয়িদের নক-আউটে ওঠার অন্যতম শর্ত হতে পারে।
নজরে যাঁরা
উইলিয়ামসন, মিচেল
স্যান্টনার, ডেভন কনওয়ে,
টম লাথাম, রাচীন রবীন্দ্র,
ড্যারিল মিচেল, ম্যাট হেনরি।
সেরা পারফরম্যান্স ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন।