Bartaman Logo
২০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজারের ছাদ ও করিডর থেকে ভেঙে পড়ছে চাঙড়

কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজারে ছাদ থেকে চাঙড় ভেঙে পড়ছে, ক্রেতারা বিপদের মধ্যে। পুরসভার উদাসীনতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ। বিস্তারিত পড়ুন।

কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজারের ছাদ ও করিডর থেকে ভেঙে পড়ছে চাঙড়
  • ২০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, কোচবিহার: ছাদ ও করিডর চুঁইয়ে গড়িয়ে পড়ছে বৃষ্টির জল। যত্রতত্র ভেঙে পড়ছে চাঙড়। বাজার করতে করতেই চাঙড় ভেঙে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা পাচ্ছেন ক্রেতারা। এটা যেন কোচবিহার শহরের সব থেকে বড়ো মার্কেট ভবানীগঞ্জ বাজারের নিত্যদিনের ঘটনা। কয়েক বছর ধরে জীর্ণদশায় এই পুর বাজারটি। অথচ বহুবার অভিযোগ জানানোর পরও তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড ভবন সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলেই অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। পুর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে সরব ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। 

Advertisement

ভবানীগঞ্জ পুর বাজারের বয়স কম করেও চার দশকের বেশি হবে। শনিবার সন্ধ্যায় জয়া ঘোষ নামে এক মহিলা ভবানীগঞ্জ বাজারে কেনাকাটা করতে আসেন। বিকেল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল। জয়াদেবী বাজারের ভিতর ঢুকতেই হঠাৎই তাঁর সামনে ছাদ থেকে চাঙড় ভেঙে পড়ে। কপাল জোরে বড়োসড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান তিনি। জয়াদেবী জানান,পাশের একটি দোকানে সামনের অংশে ত্রিপল টানানো ছিল। চাঙড়টি ভেঙে ওই ত্রিপলের উপর গিয়ে পড়ে। ওই জায়গায় ত্রিপল না থাকলে চাঙড়টি হয়তো মাথায় পড়ত। এই বাজারে আসা ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে পড়ছে। 
ভবানীগঞ্জ বাজারের সবজি বিক্রেতা শংকর পাল অভিযোগ করে বলেন, প্রায় প্রতিদিনই চাঙড় ভেঙে পড়ছে। সম্প্রতি অনেকেই জখম হয়েছেন। তাই ব্যবসায়ীরা পলিথিন টাঙিয়ে রাখছেন। বিধানসভা ভোটের আগে চাঙড় ভেঙে গায়ে পড়ায় একজন মারাত্মকভাবে জখম হন। এসব কারণে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা দিনদিন কমেছে। পুরসভাকে বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। 
বিপদের এখানেই শেষ নয়। কিছুদিন আগে একই অভিজ্ঞতার সাক্ষী থেকেছেন মাছের আড়তদার রাজেশ মাহাত। তাঁর কথায়, উনি চেয়ার বসে ব্যবসার হিসাব করছিলেন। পরে তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে একজনের সঙ্গে কথা বলতে যান। আর তখনই দোকানের ছাদ থেকে চাঙড় ভেঙে তাঁর চেয়ারের ওপর পড়ে। রাজেশবাবু বলেন, প্রায়ই দোকানের ছাদ কিংবা করিডরের ছাদ থেকে চাঙড় পড়ছে। ছোটোখাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে। 
যদিও এ ব্যাপারে জানতে পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ সাহাকে এদিন একাধিকবার ফোন করা হলেও রিসিভ করেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।   • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ