নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিভিন্ন চিটফান্ডে প্রতারিত আমানতকারীদের টাকা ফেরত বা ক্ষতিপূরণের জন্য একাধিক বিশেষ কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। ওই কমিটিগুলির মাথায় ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এবার সেই কমিটির সঙ্গেই অসহযোগিতার অভিযোগ উঠল হাইকোর্টে। অভিযোগ, হাইকোর্ট গঠিত বিশেষ কমিটিকে সাহায্য করছে না রাজ্য। আর রাজ্যের এই ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ আদালত। অভিযোগ, কমিটি চালানোর জন্য দিনের পর দিন রাজ্যের কাছে পরিকাঠামো, শূন্যপদ পূরণসহ বেশকিছু দাবি করা হয়। কিন্তু সেসব মানেনি রাজ্য। রাজ্য কেন এমন অসহযোগিতা করছে? তার উত্তর পেতে এবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবকে হাজিরার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
Advertisement
বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী আদালতে উপস্থিত হবেন। সরকারের অসহযোগিতার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে তাঁকেই।
বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে অভিযোগ করা হয়, চিটফান্ড সংস্থা এমপিএসের টাকা ফেরাতে যে কমিটি গড়া হয়েছিল তার শূন্যপদ পূরণ হচ্ছে না। যেসব কর্মী বা অফিসার সেখানে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের অনেকেরই কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও তা বৃদ্ধির জন্যও কোনও পদক্ষেপ করছে না রাজ্য। রাজ্যের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, এই কমিটিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ হলেও তাঁর সাম্মানিক বাবদ অর্থ মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আগের চেয়ারম্যানেরও মোটা টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে। এই অভিযোগ শোনার পরই ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, যেখানে রাজ্যের আশ্বাস পেয়ে এই কমিটি গঠন করেছিল হাইকোর্ট, সেখানে পরিকাঠামোসহ সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যেরই। কিন্তু বাস্তবে তা করা হচ্ছে না কেন? স্বরাষ্ট্র সচিবকে তার জবাব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে অভিযোগ করা হয়, চিটফান্ড সংস্থা এমপিএসের টাকা ফেরাতে যে কমিটি গড়া হয়েছিল তার শূন্যপদ পূরণ হচ্ছে না। যেসব কর্মী বা অফিসার সেখানে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের অনেকেরই কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও তা বৃদ্ধির জন্যও কোনও পদক্ষেপ করছে না রাজ্য। রাজ্যের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, এই কমিটিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ হলেও তাঁর সাম্মানিক বাবদ অর্থ মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আগের চেয়ারম্যানেরও মোটা টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে। এই অভিযোগ শোনার পরই ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, যেখানে রাজ্যের আশ্বাস পেয়ে এই কমিটি গঠন করেছিল হাইকোর্ট, সেখানে পরিকাঠামোসহ সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যেরই। কিন্তু বাস্তবে তা করা হচ্ছে না কেন? স্বরাষ্ট্র সচিবকে তার জবাব দিতে হবে।



