সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার থেকে চিলাপাতা রেঞ্জের অধীনে থাকা বনবস্তির মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করল। শুধুমাত্র জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতার ছ’টি বনবস্তির পরীক্ষার্থীদের জন্য ছোট গাড়ির বদলে এদিন থেকে এই বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বনদপ্তর এদিন মোট ২৪টি বাসের ব্যবস্থা করেছে।
Advertisement
সোমবার মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান লাগোয়া ৪০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের বনদপ্তর জিপ, ছোট গাড়ি ও বাইকে করে পৌঁছে দিয়েছিল। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসোয়ান বলেন, জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা রেঞ্জেই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি। পরীক্ষার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবেই তাদের জন্য স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
চিলাপাতার ছ’টি বনবস্তির মধ্যে ডিপোপাড়া বস্তির পরীক্ষার্থীদের জন্য আটটি বাস দেওয়া হয়েছে। উত্তর মেন্দাবাড়ি, দক্ষিণ মেন্দাবাড়ি ও বং বস্তির পরীক্ষার্থীদের জন্য চারটি করে বাসের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া, দোশালিয়াতে তিনটি ও শচীনপাড়া বনবস্তিতে একটি বাস দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার জন্য একেবারে আলাদা করে স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করায় চিলাপাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা বনদপ্তরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
জলদাপাড়া বনবিভাগের অন্য রেঞ্জগুলির তুলনায় চিলাপাতা রেঞ্জেই বন্যপ্রাণীর আনাগোনা সবচেয়ে বেশি। চিলাপাতার জঙ্গল থেকে হামেশাই চিতাবাঘ, হাতি ও বাইসন প্রায়ই লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। বাইসন ও হাতি জঙ্গল লাগোয়া কোচবিহার জেলায় যখন তখন ঢুকে পড়ার ঘটনাও হামেশাই ঘটছে। তাই চিলাপাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ বনদপ্তর। অভিভাবক ও শিক্ষা মহলের ধারণা, সেই কারণেই হয়তো বনদপ্তর তাদের জন্য এই স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করল।
চিলাপাতার ছ’টি বনবস্তির মধ্যে ডিপোপাড়া বস্তির পরীক্ষার্থীদের জন্য আটটি বাস দেওয়া হয়েছে। উত্তর মেন্দাবাড়ি, দক্ষিণ মেন্দাবাড়ি ও বং বস্তির পরীক্ষার্থীদের জন্য চারটি করে বাসের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া, দোশালিয়াতে তিনটি ও শচীনপাড়া বনবস্তিতে একটি বাস দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার জন্য একেবারে আলাদা করে স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করায় চিলাপাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা বনদপ্তরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
জলদাপাড়া বনবিভাগের অন্য রেঞ্জগুলির তুলনায় চিলাপাতা রেঞ্জেই বন্যপ্রাণীর আনাগোনা সবচেয়ে বেশি। চিলাপাতার জঙ্গল থেকে হামেশাই চিতাবাঘ, হাতি ও বাইসন প্রায়ই লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। বাইসন ও হাতি জঙ্গল লাগোয়া কোচবিহার জেলায় যখন তখন ঢুকে পড়ার ঘটনাও হামেশাই ঘটছে। তাই চিলাপাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ বনদপ্তর। অভিভাবক ও শিক্ষা মহলের ধারণা, সেই কারণেই হয়তো বনদপ্তর তাদের জন্য এই স্পেশাল বাসের ব্যবস্থা করল।



