তেহরান: ফের পরস্পরের নিশানায় আমেরিকা এবং ইরান। আর সেই সঙ্গেই পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরার সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার জর্ডন জানিয়েছে, এদিন ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র তারা ধ্বংস করেছে। এই নিয়ে পরপর দু’দিন জর্ডন লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছু্ড়ল ইরান। কুয়েত জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ইরানের হামলায় ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ চীনের এক কর্মীর মৃত্যু। কুয়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেদেশের একটি চীনা কারখানায় হামলা চালিয়েছে ইরান। তাতে একজন চীনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
বসে নেই আমেরিকারও। সেন্ট্রাল কমান্ড এদিন জানিয়েছে, ইরানের রেভেলিউশনারি গার্ডের সম্পত্তি লক্ষ্য করে তারা একডজন বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় কাশেম দ্বীপপুঞ্জে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ড্রোন হামলায় মিশরের দামিত্তা বন্দরে দু’টি প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ভেসেলে আগুন ধরে গিয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে ব্রিটিশ নিরাপত্তা সংস্থা আমব্রে। তবে মার্কিন এবং গ্রিক মালিকানাধীন এই ভেসেলগুলিতে কারা হামলা চালাল, তা এখনও পরিষ্কার নয়। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, মিশরের উপর এই হামলা পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে পারে। মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনায় শামিল অন্যতম দেশ মিশরে এখনও পর্যন্ত যুদ্ধের আঁচ পড়েনি। যদি এই দুই হামলায় ইরানের যোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে মিশরও যুদ্ধে জড়াতে পারে।