


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনস্বার্থে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা এখনই শুরু না করলে আগামী দু’মাসে তার সুফল মিলবে না। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা এবং আইপিএস দময়ন্তী সেন এবং কে জয়রামন। জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের দু’জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ২টি কমিশন গঠন করা হয়েছে।
অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত কাউন্সিলর, সরকারি আধিকারিক অনেকেই যুক্ত ছিলেন। এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। একটি কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্ত করবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি ফান্ড রিকভারিরও চেষ্টা করা হবে। বিভিন্ন এজেন্সি যারা কন্ট্রাক্ট নিয়েছিলেন তারাও উপস্থিত থাকবেন।
অন্যদিকে, রাজ্যের মহিলাদের উপর হওয়া একাধিক অত্যাচারের অভিযোগ সামনে এসেছিল। ফলে মহিলা নির্যাতনের বিষয়ে তদন্তের জন্য গঠিত করা হয়েছে একটি কমিশন। যার চেয়ারপার্সন করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়কে। মেম্বার সেক্রেটারি করা হয়েছে আইপিএস আধিকারিক দময়ন্তী সেনকে। তফশিলি জাতি, উপজাতি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মহিলা এবং শিশু কন্যাদের উপর হওয়া নির্যাতন তথা অপরাধের তদন্ত করবে এই কমিশন। প্রয়োজনে স্পট ভিজিট করবেন। করা হবে জনশুনানিও। তবে এক্ষেত্রে সুপ্রিমকোর্ট এবং হাইকোর্টে যে মামলাগুলি চলছে সেগুলি বাদ রাখতে হবে। আক্রান্ত, নির্যাতিতা মহিলারা এই কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সূত্রের খবর, আগামী ১লা জুন থেকেই কাজ শুরু করবে কমিশন।