Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর পরই দুর্গাপুরে ভোট, ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক বৈঠকে দুর্গাপুর পুরসভার নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

পুজোর পরই দুর্গাপুরে ভোট, ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর
  • ২২ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক বৈঠকে দুর্গাপুর পুরসভার নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যেহেতু নির্বাচন ঘোষণা করার এক্তিয়ার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের, তাই দিনক্ষণ ঘোষণা করেননি শুভেন্দুবাবু। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাজ্য সরকার চাইছে, দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর মধ্যেই দুর্গাপুর পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করতে। শহরবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন, পুরসভা ভোটে তাঁরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘আমার এভাবে বলা উচিত নয় যে ভোট কখন হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন তা নির্দিষ্ট করবে। আমরা শুধু বিশ্বাস করি, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত বোর্ডের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর আমরা চাই। দুর্গাপুরের মানুষকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই, দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর পর যে কোনো সময় নির্বাচন করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বা রাজ্য সরকার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আমরা সহযোগিতা করব। তার আগে ডিলিমিটেশন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং এখন যে নাগরিক পরিষেবা চালু করা দরকার, এই কাজ করার জন্য আমরা নির্দেশ দিয়েছি। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল নিজে প্রধান সচিবকে নিয়ে মনিটরিং করছেন। 

Advertisement

দুর্গাপুরের মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে আপনারা কেউ ভোট দিতে পারেননি। ভারতীয় জনতা পার্টির শাসনকালে কোনো নির্বাচনে, কোনো ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।
দুর্গাপুরের মানুষ যে দু’হাত ভরে বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছে তাও এদিন মেনে নিয়েছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাঁকুড়া থেকে বীরভূম থেকে গুন্ডা এনে ২০১৭ সালে আপনাদের ভোট দিতে দেয়নি। তাই আপনারা যখনই সুযোগ পান ওদেরকে শিক্ষা দেন। ২০১৯সালে শিক্ষা দিয়েছিলেন, ভালো মার্জিনে জিতিয়েছিলেন সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়াকে। ২০২১সালেও আপনারা একটা বিধানসভা আসন জিতিয়েছিলেন। আরেকটি সিট খুব অল্প দু’-আড়াই হাজার ভোটে আমরা হেরেছিলাম। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও  দিলীপ ঘোষকে লিড দিয়েছেন। আর এবারে তো আমাদের একজন বিধায়ক ৩৮হাজার, আরেকজনকে ৩২হাজার ভোটে জিতিয়েছেন। একদম হাত খুলে ভোট দিয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ