নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছেলের বিয়ের জন্য কেনা সোনার গয়না দিনের পর দিন নিজে হাতে সরিয়ে ডাকাতির গল্প ফেঁদেছিল ম্যুর অ্যাভিনিউয়ের সৎ মা সোনালি বিশ্বাস! পুলিস জানিয়েছে, সেই গয়না উল্টোডাঙার এক স্বর্ণবন্ধকী সংস্থায় রেখে মোটা টাকা ঋণ নিয়েছিল সোনালির ভগ্নিপতি রাজা নাগ।
Advertisement
মঙ্গলবার রাতে রিজেন্ট পার্ক থানায় দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে কার্যত ভেঙে পড়েন সোনালি দেবী। তারপরই সোনালি দেবী এবং তাঁর ভগ্নিপতি রাজা নাগকে গ্রেপ্তার করেছে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিস। বুধবার দুপুরে আলিপুর আদালতে তোলা হলে, ধৃত দু’জনকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
গোয়েন্দাদের দাবি, সোমবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ বাঁশদ্রোণীর বাপের বাড়ি থেকে ফিরে ডাকাতির গল্প সাজাতে প্রথমে প্লেট, গ্লাস মেঝেতে ফেলে ভেঙে দেন সোনালি। তারপর নিজেই হাত বাঁধেন। স্যান্ডো গেঞ্জি জলে ভিজিয়ে নিজের মুখে নিজেই ঢুকিয়ে দেন! কিন্তু এতকিছুর পর শেষরক্ষা হয়নি। কারণ, সোনালির দাবি মতো ডাকাতির আগে ও পরে সিসিটিভি ফুটেজে কাউকে ওই বাড়িতে ঢুকতে বা বের হতে দেখা যায়নি!
কেন ছেলের বিয়ের গয়না চুরি করতে গেলেন মহিলা? কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, বাপের বাড়িতে আর্থিক টানাটানি চলছিল। মায়ের চিকিৎসা, বসত বাড়ি প্রোমোটিং নিয়ে জটিলতার জন্য আর্থিক অনটন ছিল। তাই সৎ ছেলের বিয়ের জন্য কেনা ১৩ লাখ টাকার সোনার গয়না নিজের চুরি করে ডাকাতির গল্প ফেঁদেছিল ধৃত।
গোয়েন্দাদের দাবি, সোমবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ বাঁশদ্রোণীর বাপের বাড়ি থেকে ফিরে ডাকাতির গল্প সাজাতে প্রথমে প্লেট, গ্লাস মেঝেতে ফেলে ভেঙে দেন সোনালি। তারপর নিজেই হাত বাঁধেন। স্যান্ডো গেঞ্জি জলে ভিজিয়ে নিজের মুখে নিজেই ঢুকিয়ে দেন! কিন্তু এতকিছুর পর শেষরক্ষা হয়নি। কারণ, সোনালির দাবি মতো ডাকাতির আগে ও পরে সিসিটিভি ফুটেজে কাউকে ওই বাড়িতে ঢুকতে বা বের হতে দেখা যায়নি!
কেন ছেলের বিয়ের গয়না চুরি করতে গেলেন মহিলা? কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, বাপের বাড়িতে আর্থিক টানাটানি চলছিল। মায়ের চিকিৎসা, বসত বাড়ি প্রোমোটিং নিয়ে জটিলতার জন্য আর্থিক অনটন ছিল। তাই সৎ ছেলের বিয়ের জন্য কেনা ১৩ লাখ টাকার সোনার গয়না নিজের চুরি করে ডাকাতির গল্প ফেঁদেছিল ধৃত।



