অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: গতবার দিন ও ছুটি দু’টোই বেশি ছিল। কিন্তু, ঘাটতি ছিল মাসমাইনের। এবার মাসমাইনে সত্ত্বেও দিন ও ছুটি কম। তাও বেড়েছে বইয়ের বিক্রি। আগামী বছর কলকাতা বইমেলায় তিনটি বিষয়ের ‘ব্যালান্স’ করার ভাবনা রয়েছে পাবলিসার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের। অর্থাৎ যাতে বইমেলা চলাকালীন মাসমাইনে থাকে, বাড়তি ছুটির দিন থাকে এবং মেলার দিনও বাড়ে। তাই আগামী বছর ছাব্বিশের বইমেলায় ২৬ জানুয়ারিকেও জোড়ার ভাবনা রয়েছে গিল্ড কর্তৃপক্ষের।
Advertisement
কলকাতা বইমেলা বাঙালির কাছে এক সাংস্কৃতিক আবেগ। নতুন বইয়ের গন্ধ, চেনা অক্ষর, সৃদৃশ্য প্রচ্ছদ, লেখকদের অটোগ্রাফ। বইয়ের প্রেমেই লক্ষ লক্ষ মানুষ বইমেলা প্রাঙ্গণে হাজির হন। ভিড়, আড্ডা, কেনাকাটা, খাওয়া-দাওয়ায় বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় উৎসব প্রাঙ্গণে। রবিবার শেষ হয়েছে ৪৮তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। সেই সঙ্গে শুরু হয়ে গেল ৪৯তম বইমেলার প্রস্তুতিও। রবিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে স্টল খোলার ঠুকঠাক শব্দ। সোমবার প্রাঙ্গণ ছেড়ে ম্যাটাডর ভর্তি বই ফিরেছে প্রকাশকের ঠিকানায়। এবারের বইমেলায় উন্নত হয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক। নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবাও মিলেছে। তাই বেড়েছে কিউআরকোডে অনলাইন পেমেন্ট। গিল্ডের কথায়, নেটওয়ার্ক ভালো থাকায় ৭০ শতাংশ মানুষই এবার অনলাইনেই পেমেন্ট করেছেন।
গতবার বইমেলা হয়েছিল ১৪ দিন। শুরু হয়েছিল ১৮ জানুয়ারি। চলছিল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই দু’সপ্তাহে দু’টি শনিবার, দু’টি রবিবার ছাড়াও ছিল ২৩ জানুয়ারি ও ২৬ জানুয়ারি দু’টি ছুটির দিন। কিন্তু, মাসমাইনে পড়ার আগেই বইমেলা শেষ হওয়ায় গতবার অনেকেই বই কিনতে পারেননি। তাই এবার মাঝখানে মাসমাইনে রাখার কথা ভেবেছিল গিল্ড। এবার বইমেলা শুরু হয়েছিল ২৮ জানুয়ারি। শেষ হয়েছে ৯ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ, এবার ১৩ দিন বইমেলা হয়েছে। গতবারের চেয়ে একদিন কম। সেই সঙ্গে এবার দু’টি শনিবার এবং দু’টি রবিবার ছিল। মাস মাইনে থাকায় বিক্রিও বেড়েছে।
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, ‘গতবার ১৪ দিনে ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। বই বিক্রি হয়েছিল ২৩ কোটি টাকার। এবার মেলা একদিন কম হলেও ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছেন। বিক্রি বেড়ে হয়েছে ২৫ কোটি টাকার। তবে, আরও ছুটির দিন পেলে আরও বিক্রিও বাড়ত। তাই ছুটির দিন বাড়ানোর কথা ভাবছি’। প্রসঙ্গত পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগামী বছর ৭ দিন মেলা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। গিল্ড সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বিদেশি স্টল থাকে। তাদের এতদিন ধরে রাখা মুশকিল। তবে, আগামী বছর ছুটির দিন বাড়াতে আমরা ২৬ জানুয়ারিকে রাখার কথা ভাবছি’।
গতবার বইমেলা হয়েছিল ১৪ দিন। শুরু হয়েছিল ১৮ জানুয়ারি। চলছিল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই দু’সপ্তাহে দু’টি শনিবার, দু’টি রবিবার ছাড়াও ছিল ২৩ জানুয়ারি ও ২৬ জানুয়ারি দু’টি ছুটির দিন। কিন্তু, মাসমাইনে পড়ার আগেই বইমেলা শেষ হওয়ায় গতবার অনেকেই বই কিনতে পারেননি। তাই এবার মাঝখানে মাসমাইনে রাখার কথা ভেবেছিল গিল্ড। এবার বইমেলা শুরু হয়েছিল ২৮ জানুয়ারি। শেষ হয়েছে ৯ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ, এবার ১৩ দিন বইমেলা হয়েছে। গতবারের চেয়ে একদিন কম। সেই সঙ্গে এবার দু’টি শনিবার এবং দু’টি রবিবার ছিল। মাস মাইনে থাকায় বিক্রিও বেড়েছে।
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, ‘গতবার ১৪ দিনে ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। বই বিক্রি হয়েছিল ২৩ কোটি টাকার। এবার মেলা একদিন কম হলেও ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছেন। বিক্রি বেড়ে হয়েছে ২৫ কোটি টাকার। তবে, আরও ছুটির দিন পেলে আরও বিক্রিও বাড়ত। তাই ছুটির দিন বাড়ানোর কথা ভাবছি’। প্রসঙ্গত পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগামী বছর ৭ দিন মেলা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। গিল্ড সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বিদেশি স্টল থাকে। তাদের এতদিন ধরে রাখা মুশকিল। তবে, আগামী বছর ছুটির দিন বাড়াতে আমরা ২৬ জানুয়ারিকে রাখার কথা ভাবছি’।



