উজির আলি, চাঁচল: শিবরাত্রির আগেই চাঁচলে উদ্বোধন হল শিবমন্দির। ঘটা করে বারাণসী থেকে পাথরের শিবলিঙ্গ এনে ধূমধাম সহকারে প্রতিষ্ঠা করা হল চাঁচলের দক্ষিণপাড়া অগ্রদূত ক্লাবের পাশে। মহাদেবের কাঁসার ত্রিশূল ও তামার সর্প আনা হয়েছে দেওঘর থেকে। উত্তর প্রবাহী গঙ্গার জল (সুলতানগঞ্জ থেকে) ও মৌনী অমাবস্যা তিথিতে পূর্ণকুম্ভ থেকে জলও এনেছেন কর্মকর্তারা।
Advertisement
শনিবার থেকে পুজো, যাগযজ্ঞ ও আরতি শুরু হয়েছে। সোমবার ভোলানাথের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা পুরোহিত মনোজ পণ্ডিত সহ দুই সহযোগী পুরোহিত। আর ক’দিন পরেই মহা শিবরাত্রি তিথি। তার আগে এই শিবমন্দির প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সোমবার চাঁচল অগ্রদূত ক্লাব প্রাঙ্গণে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রবিবার চাঁচল সদরজুড়ে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। এই শোভাযাত্রায় দক্ষিণপাড়ার আট থেকে আশি সকলেই শামিল হয়েছিলেন।
বাবা মহাদেবের প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে তিন দিন ধরে উপোস করে এদিন পুজো করেন ধনিষ্ঠা ভট্টাচার্য,অমিতেষ পান্ডে, বর্ণালী পান্ডে, মৃন্ময় রায়, সিন্টু সরকার, সুনয়না মণ্ডল ও অভিষেক পান্ডে সহ আরও অনেকে।
মন্দির কমিটির সভাপতি অমিতেষ পান্ডে বলেন, দক্ষিণপাড়ায় প্রায় শতাধিক পরিবারের বসবাস। এতদিন এখানে বাবা ভোলেনাথের মন্দির ছিল না। শিবরাত্রি তিথিতে এলাকার মা বোনেরা দূরবর্তী মন্দিরে জল ঢালতে যেতেন। এমনকী শ্রাবণ মাসের মহা সোমবার তিথিতে একই ভাবে দূরে গিয়ে বাবার মাথায় জল ঢালতেন। পাড়ার মানুষের দাবি মেনে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নিই।
মন্দির কমিটির সদস্য চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও সায়ক মণ্ডল বলেন, এই মন্দির সর্বসাধারণের জন্য নিয়মিত খোলা থাকবে। আসন্ন মহা শিবরাত্রি তিথিতে এখানে নিষ্ঠার সঙ্গে শিবরাত্রি পালন করা হবে। কমিটির কর্মকর্তা সৌরভ ঝা ও উজ্জ্বল দাস বলেন, আমাদের পাড়াতে হনুমান মন্দির রয়েছে। সকলের ইচ্ছে ছিল দেবাদিদেব মহাদেবের একটি মন্দির স্থাপন করার। মা বোনেদের দাবি মেনে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নিই। সোমবার সন্ধ্যায় অন্নভোগের আয়োজন করা হয়। ধনিষ্ঠা ভট্টাচার্য বলেন, এবারের শিবরাত্রি আমাদের কাছে দ্বিগুণ আনন্দের। পাড়ার সবাই মিলে পাড়ার মন্দিরেই বাবার মাথায় জল ঢালতে পারব। আর দূরে যেতে হবে না।
বাবা মহাদেবের প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে তিন দিন ধরে উপোস করে এদিন পুজো করেন ধনিষ্ঠা ভট্টাচার্য,অমিতেষ পান্ডে, বর্ণালী পান্ডে, মৃন্ময় রায়, সিন্টু সরকার, সুনয়না মণ্ডল ও অভিষেক পান্ডে সহ আরও অনেকে।
মন্দির কমিটির সভাপতি অমিতেষ পান্ডে বলেন, দক্ষিণপাড়ায় প্রায় শতাধিক পরিবারের বসবাস। এতদিন এখানে বাবা ভোলেনাথের মন্দির ছিল না। শিবরাত্রি তিথিতে এলাকার মা বোনেরা দূরবর্তী মন্দিরে জল ঢালতে যেতেন। এমনকী শ্রাবণ মাসের মহা সোমবার তিথিতে একই ভাবে দূরে গিয়ে বাবার মাথায় জল ঢালতেন। পাড়ার মানুষের দাবি মেনে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নিই।
মন্দির কমিটির সদস্য চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও সায়ক মণ্ডল বলেন, এই মন্দির সর্বসাধারণের জন্য নিয়মিত খোলা থাকবে। আসন্ন মহা শিবরাত্রি তিথিতে এখানে নিষ্ঠার সঙ্গে শিবরাত্রি পালন করা হবে। কমিটির কর্মকর্তা সৌরভ ঝা ও উজ্জ্বল দাস বলেন, আমাদের পাড়াতে হনুমান মন্দির রয়েছে। সকলের ইচ্ছে ছিল দেবাদিদেব মহাদেবের একটি মন্দির স্থাপন করার। মা বোনেদের দাবি মেনে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নিই। সোমবার সন্ধ্যায় অন্নভোগের আয়োজন করা হয়। ধনিষ্ঠা ভট্টাচার্য বলেন, এবারের শিবরাত্রি আমাদের কাছে দ্বিগুণ আনন্দের। পাড়ার সবাই মিলে পাড়ার মন্দিরেই বাবার মাথায় জল ঢালতে পারব। আর দূরে যেতে হবে না।



