Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চাঁচলে সদরে যাওয়ার প্রায় দশ কিমি রাস্তা বেহাল, মেরামত না হওয়ায় বিরক্ত স্থানীয়রা  

চাঁচল সদরে যাওয়ার একমাত্র বেহাল রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন মহানন্দাপুর, মকদমপুর ও ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। জাতীয় সড়ক সংযোগকারী আদর্শপল্লি থেকে বালিডাঙা নদিসিক হয়ে গৌড়িয়া মকদমপুর পর্যন্ত প্রায় দশ কিমি রাস্তার বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে।

চাঁচলে সদরে যাওয়ার প্রায় দশ কিমি রাস্তা বেহাল, মেরামত না হওয়ায় বিরক্ত স্থানীয়রা
 
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, চাঁচল: চাঁচল সদরে যাওয়ার একমাত্র বেহাল রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন মহানন্দাপুর, মকদমপুর ও ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। জাতীয় সড়ক সংযোগকারী আদর্শপল্লি থেকে বালিডাঙা নদিসিক হয়ে গৌড়িয়া মকদমপুর পর্যন্ত প্রায় দশ কিমি রাস্তার বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। যার ফলে চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকার মানুষ। 
Advertisement
সব থেকে বেশি বেহাল হয়ে রয়েছে সুজাগঞ্জ, নদিসিক, বালিডাঙা ও মকদমপুরে। ওই এলাকাগুলিতে একাধিক বার টোটো উল্টে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। চাঁচল সদরে আসার জন্য ওই রুটে টোটোই ভরসা সাধারণ মানুষের। রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় টোটোচালকরাও অতিষ্ঠ। টোটোচালক নাজিমুল হকের কথায়, তিনবছর ধরে এই রাস্তায় টোটো চালাতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছি। বেহাল রাস্তায় টোটো চলাচলে যন্ত্রাংশ খারাপ হয়ে যায়। গৌড়িয়ার আমির সোহেল বলেন, চাঁচল সদরে ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়া গেলেও ঘুরপথে যেতে হচ্ছে। বর্ষার সময় চলাচল করাই যাই না। লোকসভা ভোটের সময় নেতাদের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম,কিন্তু আজও রাস্তা সংস্কার হল না। 
ভগবানপুর অঞ্চলের সাহাজান আলি বলেন, চাঁচল হাসপাতালে রোগী নিয়ে গেলে বেহাল রাস্তার জন্য বেশি টাকা ভাড়া চান চালকরা। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা হলে কয়েকহাজার মানুষের দুর্ভোগ কমবে। এপ্রসঙ্গে মালদহ জেলাপরিষদের সহ সভাধিপতি রফিকুল হোসেন বলেন, সরকারি কোনও প্রকল্প থেকে সংস্কার করা যায় কিনা, চেষ্টা করা হবে।
সুজাগঞ্জে বেহাল রাস্তা।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ