প্রাইভেট ডিটেক্টিভ চারুলতা মিত্র আর তার খুড়তুতো ভাই তপু সাধারণত মামুলি কেস নিয়েই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু চারুর বিশ্বাস, একদিন ফেলুদা বা শার্লকের মতো তারও নামডাক যশ, প্রতিপত্তি হবে। সেই সুযোগটা আসে ম্যাডির হাত ধরে—চারুর নতুন সহকারী। রহস্য ঘনিয়ে ওঠে যখন খ্যাতনামা তন্ত্রবিদ পরমা সেন নিজের মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী করেন এবং অবিশ্বাস্যভাবে সেটি সত্যিও হয়ে যায়। অন্ধবিশ্বাসে ভরা রহস্যের জাল কাটিয়ে বাস্তববাদী চারু যখন এই কেসের গভীরে পৌঁছতে যায়, সামনে আসে একের পর এক রহস্যময় মৃত্যু। চারু কি পারবে এই ধারাবাহিক মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করে খুনিকে থামাতে? ঠিক এভাবেই তৈরি হচ্ছে ক্লিক প্ল্যাটফর্মের আগামী সিরিজ ‘ডিটেক্টিভ চারুলতা’। অভিনয় করছেন সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবমাল্য গুপ্তা, অনুজয় চট্টোপাধ্যায়, পামেলা কাঞ্জিলাল, মল্লিকা মজুমদার, চৈতি ঘোষাল প্রমুখ। চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। গল্প ও সংলাপ লিখেছেন সৌমিত দেব।
এই ধরনের চরিত্রে প্রথমবার কাজ করলেন সুরঙ্গনা। তাঁর কথায়, ‘অ্যাকশন দৃশ্যগুলি নিয়ে আলাদা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এসব আমি আগে কখনও করিনি।’ পরিচালকের কথায়, ‘খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা শ্যুটিং করেছি। কিন্তু সমস্ত কলাকুশলীরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করেছেন। অনুজয়কে এখানে নতুন করে আবিষ্কার করবেন দর্শক। সুরঙ্গনা আমার কাজটা শুরু থেকেই সহজ করে দিয়েছিল, কারণ ও অডিশনের সময় থেকেই চারুলতাকে আপন করে নিয়েছিল।’ অনুজয় বলেন, ‘আমি প্রস্তুতির সময় সচেতন ছিলাম যাতে চরিত্রটি কেবল কমিক রিলিফ হয়ে না থাকে। কেবল ভাঁড় নয়, রক্তমাংসের মানুষ যেন হয়।’ অন্যদিকে প্রথমবার পুলিসের চরিত্রে অভিনয় করলেন মল্লিকা। ‘টেলিভিশনে আমি যে ধরনের চরিত্রে অভিনয় করি, তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এই চরিত্র। আমার চেহারা, হাঁটাচলা, কথা বলার ধরন সবটাই নতুন ধাঁচে তৈরি করতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে’, বলেন অভিনেত্রী।



