ঢাকা: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশজুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল মৌলবাদীরা। শনিবার হাদির শেষকৃত্যেও সেই বিশৃঙ্খলা বজায় থাকল। এদিন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের জন্য হাদির দেহ নিয়ে আসা হয়।
ঢাকা: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশজুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল মৌলবাদীরা। শনিবার হাদির শেষকৃত্যেও সেই বিশৃঙ্খলা বজায় থাকল। এদিন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের জন্য হাদির দেহ নিয়ে আসা হয়।
ধর্মীয় রীতি পালনের সময় সেখানে হাজির ছিল কয়েক হাজার মানুষ। হঠাত্ করে দলে দলে মানুষ জোর করে সংসদ ভবন চত্বরে ঢুকে পড়ে। সংসদের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে তারা। যদিও সঙ্গে সঙ্গে সেনা এসে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। তাদের সামনে দাঁড়িয়েই স্লোগান দিতে শুরু করে ওই জনতা। দেওয়া হয় ভারত-বিরোধী স্লোগানও। মাইকে সকলকে সরে যেতে বলেনন সেনাকর্মীরা। তবে তাতেও ভিড় কমেনি। বেশ কিছুক্ষণ জনতা ও সেনা মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। পরে অবশ্য জনতা সেখান থেকে সরে গিয়ে শাহবাগে ভিড় করে। রাস্তা আটকে হাদি-হত্যায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবি জানানো হয়। এদিকে, রীতি পালনের পর সংসদ চত্বর থেকে হাদির দেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কবি কাজি নজরুল ইসলামের সমাধির পাশেই হাদিকে কবর দেওয়া হয়।
হাদির শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও। এছাড়া বিএনপি, জামাত ও পড়ুয়াদের দল এনসিপির নেতারাও শেষকৃত্যে অংশ নেন। জমায়েতে ভাষণও দেন ইউনুস। সেখানেও বারেবারে ভারত বিরোধী স্লোগান দেয় উপস্থিত জনতা।