Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চকমির খাল সংস্কার: কাটল জটিলতা

মহেশতলা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতর দিয়ে যাওয়া চকমির খাল সংস্কারে বাধা উঠল শুক্রবার। বিজেপি নেতা তমোনাশ ভৌমিকের মধ্যস্থতায় স্থানীয়রা জানান খাল সংস্কারে আর বাধা দেবেন না।

চকমির খাল সংস্কার: কাটল জটিলতা
  • ২৩ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতর দিয়ে যাওয়া চকমির খাল সংস্কারে বাধা উঠল শুক্রবার। বিজেপি নেতা তমোনাশ ভৌমিকের মধ্যস্থতায় স্থানীয়রা জানান খাল সংস্কারে আর বাধা দেবেন না। ফলে শনিবার থেকে সেচদপ্তর সংস্কারের কাজ শুরু করতে চলেছে। এক সপ্তাহ আগে চকমির খাল সংস্কারে বাধা দেন পুরবাসীরা। তাঁদের দাবি, খাল দিয়ে এপার-ওপারে যাতায়াতের জন্য ৩০ জায়গায় বাঁশের সাঁকো বা ঢালাই ব্রিজ আছে। তা ভেঙেছে সেচদপ্তর। সেখানে ব্রিজ করে দিতে হবে। সেচদপ্তর তা সম্ভব নয় বলে জানায়। এই নিয়ে বিরোধ বাধে। তার জেরে গত একসপ্তাহ আগে কাজ বন্ধ করে দেন পুর নাগরিকরা। শুক্রবার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে খালের ধারে তমোনাশবাবু সেচদপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। উভয় পক্ষ একটি বিষয়ে সম্মত হয় যে, খাল সংস্কারের কাজ আটকে থাকলে পুরবাসীদের অসুবিধা হবে। কারণ সামনে বর্ষা। এমনিতে চকমির খাল দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ার কারণে জল যেতে পারে না। তার উপর খালের উভয় দিকে দখল করে শৌচাগার তৈরি হয়েছে। পলি জমে জমে জল সরছে না। এজন্য খালের উভয় দিকে বসত এলাকায় দীর্ঘ সময় জল জমে থাকে। সেই দৃশ্য পুরবাসীরা দেখান। তমোনাশবাবু বলেন, বাঁশের সাঁকো ও ঢালাই ব্রিজ সেচদপ্তর করে দিতে পারবে না। কারণ এই কাজের টেন্ডারে তা ধরা নেই। 

Advertisement

তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিষয়টি মহেশতলা পুরসভার কাছে আবেদন আকারে করা হবে। সেচদপ্তর এবং তিনি আলাদাভাবে পুর প্রশাসনের কাছে তদ্বির করবেন, যাতে এর খরচ পুরসভা থেকে দেওয়া হয়। পাশাপাশি যে ৩০টি সাঁকো ভাঙা হয়েছে তার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে সেচদপ্তরকে। যাতে পরবর্তী সময় এর বেশি কেউ না করতে পারে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ