নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাদ্যশস্য রাখার জন্য চটের বস্তার ১০০ শতাংশ ব্যবহার চলতি ২০২৬-২৭ মরশুমে বজায় থাকছে। চিনির জন্য চটের বস্তার ব্যবহার ২০ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হচ্ছে। শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এইকথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দিল্লিতে জুট সংক্রান্ত স্থায়ী উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে রাজ্যের তরফে এই ব্যাপারে জোরালো দাবি রাখা হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের শ্রম, এমএসএমই এবং বস্ত্রশিল্প দপ্তরের অফিসাররা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটির অনুমোদনের পরই এই সুপারিশ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। শ্রমমন্ত্রী জানান, কমিটির এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের জুটমিল শ্রমিক ও পাটচাষিদের জন্য খুবই ইতিবাচক। জুটমিলগুলিতে উৎপন্ন সামগ্রীর বড়ো অংশ হল চটের বস্তা। খাদশস্য, চিনি প্রভৃতি সংরক্ষণে চটের বস্তার ব্যবহার বাড়লে জুটমিলগুলির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। রাজ্যের অর্থনীতির উপর পড়বে তার ইতিবাচক প্রভাব। আশা শ্রমমন্ত্রীর। রাজ্যে প্রায় ৪০ লক্ষ পাটচাষি এবং আড়াই লক্ষ জুটমিল শ্রমিক। এবার রাজ্যে পাটের ফলনও ভালো হয়েছে।



