Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সুগার, প্রেশার, ক্যান্সার থেকে সর্পাঘাতের চিকিৎসা, ৭৪৮টি অপরিহার্য ওষুধের দাম বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার

৭৪৮টি অপরিহার্য ওষুধের দাম বাড়াল কেন্দ্র। ১.৭৪ শতাংশ দাম বৃদ্ধি হল প্রতিটি ওষুধের। এর মধ্যে প্রেশার, সুগার, গ্যাস, জ্বর, বমি, রক্ত পাতলা করা, হাঁপানি, সিজোফ্রেনিয়া সহ মানসিক অসুখ, এইডসের মতো রোগের বা সমস্যার ওষুধ রয়েছে।

সুগার, প্রেশার, ক্যান্সার থেকে সর্পাঘাতের চিকিৎসা, ৭৪৮টি অপরিহার্য ওষুধের দাম বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার
  • ৩০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৭৪৮টি অপরিহার্য ওষুধের দাম বাড়াল কেন্দ্র। ১.৭৪ শতাংশ দাম বৃদ্ধি হল প্রতিটি ওষুধের। এর মধ্যে প্রেশার, সুগার, গ্যাস, জ্বর, বমি, রক্ত পাতলা করা, হাঁপানি, সিজোফ্রেনিয়া সহ মানসিক অসুখ, এইডসের মতো রোগের বা সমস্যার ওষুধ রয়েছে। সর্পাঘাতের ওষুধ, মরফিনের মতো ক্যান্সার রোগীদের ব্যথানাশক ওষুধও রয়েছে দাম বৃদ্ধির তালিকায়। আছে অসংখ্য অপরিহার্য স্টেরয়েড এবং রোগীর জীবন সংশয়কালীন জরুরি অ্যান্টিবায়োটিকও। ১ এপ্রিল থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, সারা দেশে যত ধরনের মডার্ন মেডিসিন বা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ আছে, তার কমবেশি ২০ শতাংশই অপরিহার্য ওষুধের মধ্যে পড়ে। এই তালিকাকে বলা হয় ‘ন্যাশনাল লিস্ট অব এসেনশিয়াল মেডিসিনস’  বা এনএলইএম। ‘ড্রাগ প্রাইজ কন্ট্রোল অর্ডার’ (ডিপিসিও) অনুযায়ী এই ওষুধগুলি ‘সিডিউলড ড্রাগস’ বা সরকার নিয়ন্ত্রিত ওষুধের মধ্যে পড়ে। এর অর্থ হল, কোম্পানিগুলি কোনওভাবেই এসব ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। দামের উপর প্রত্যক্ষ নজরদারি চালাবে সরকার।
এদিকে, শনিবার বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সহ আরও ১০১ ধরনের ওষুধকে নিম্নমানের বা এনএসকিউ তালিকাভুক্ত করল কেন্দ্র। একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের প্রেশারের ওষুধ জাল করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। সব মিলিয়ে তিনটি পৃথক নির্দেশনামায় ১০২টি কোম্পানির নির্দিষ্ট ব্যাচের ওষুধ সম্পর্কে সারা দেশকে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল। এনিয়ে গত চার মাসে প্রায় ৫০০টি নিম্নমানের অথবা জাল ওষুধের তালিকা প্রকাশ করল তারা। তালিকায় অ্যাজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোক্লক্সাসিন, নরফ্লক্সাসিন সহ বহুল ব্যবহৃত নামীদামি ব্র্যান্ডের অজস্র অ্যান্টিবায়োটিক আছে। আছে মেটফরমিন, সিটাগ্লিপটিন প্রভৃতি সুগারের ওষুধের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। শুধু তাই নয়, ওই দীর্ঘ তালিকায় অ্যামিকাসিন, মেরোপেনম, অ্যাসপিরিন প্রভৃতি জীবনদায়ী ইঞ্জেকশনও রয়েছে। 
কেন এসব ওষুধ নিম্নমানের অথবা ভেজাল বলে ঘোষণা করা হয়েছে, তার যুক্তিও দিয়েকে কেন্দ্রীয় সরকার। তারা জানিয়েছে, বহু ওষুধ পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছে, ক্যাপসুলে ওষুধই ঩নেই। বহু ক্ষেত্রে ট্যাবলেট গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গিয়েছে। ওষুধের উপাদানগুলির নির্দিষ্ট পরিমাণ লঙ্ঘন করা হয়েছে কয়েকটি ঘটনায়। একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের প্রেশারের ওষুধের ক্ষেত্রে তো কোম্পানিই জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত নির্দিষ্ট ব্যাচের ওষুধগুলি তারা তৈরিই করেনি! -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ