Bartaman Logo
২৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কেন্দ্রীয় বঞ্চনা বনাম রাজ্য সরকারের টাকা ধ্বংস, কুণাল-সজল দু’পক্ষেরই শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি

রাজ্য বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ উত্থাপন করলেন কুণাল ও সজল। কী বলছেন তাঁরা? বিস্তারিত পড়ুন।

কেন্দ্রীয় বঞ্চনা বনাম রাজ্য সরকারের টাকা ধ্বংস, কুণাল-সজল দু’পক্ষেরই শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি
  • ২৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শাসক ও বিরোধী দু’পক্ষই দাবি করল শ্বেতপত্র প্রকাশ করার। শাসকের দাবি, তৃণমূল জমানায় সরকারি টাকা ধ্বংস করার বিবরণ। আর বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিষয়টি সামনে আসুক।

Advertisement

বুধবার বিধানসভার অধিবেশনে রাজ্য বাজেটের উপর আলোচনা হয়। বিজেপি এবং বিরোধী শিবিরের সব দলের বিধায়করা আলোচনায় অংশ নেন। সবমিলিয়ে ৩১ জন বিধায়ক বক্তব্য রাখেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেই বাজেটের উপরই আলোচনা হয়েছে এদিন। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিজেপি বিধায়করা তুলে ধরেন, ঠিক কীভাবে এবারের বাজেট সমাজের সর্বসাধারণের সার্বিক উন্নয়ন ঘটাবে। বিরোধী বিধায়করা বাজেটের উপর তেমন কোনো সমালোচনা না করলেও, সরকারের আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে কয়েকটি আবেদন নবান্নের কাছে রেখেছেন। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, নতুন সরকার বাংলায় এসেছে। তাদের সব ভুল ধরা ঠিক নয়। তাদের কাজের জন্য আরও সময় দিতে হবে। আর নজর রাখতে হবে বাজেটে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না। বাজেটে আয়ের উৎসের রূপরেখা যদি থাকত, তাহলে প্রশ্নউঠত না। ব্যয়ের বিষয়টি বেশি উল্লেখিত। তাহলে আয়ের বিষয়টি কি দিল্লি নির্ভর? এরপরই বিজেপি সরকারকে বিঁধে কুণালের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অনেক কিছু করেছে। কিন্তু কেন্দ্রের লাগাতার বঞ্চনা ছিলই। তাই ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে কত টাকা পাওয়ার কথা ছিল, কত টাকা এসেছে, তা নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হোক।
অন্যদিকে বাজেটের উপর বক্তব্য রাখার সময় পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে চড়া সুরে আক্রমণ করেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, আমাদের সরকার প্রথম যে বাজেট পেশ করেছে, এককথায় তা অভূতপূর্ব। বিরোধীরাও সমালোচনা করার জায়গা পাচ্ছে না। বিরোধীরা বাজেটকে সমর্থন জানিয়ে টেবিল চাপড়াচ্ছে। তৃণমূল বিধায়কদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, তাদের বাজেটের উপর আলোচনা ছেড়ে বিজেপিতে ঢোকার আকুতি বেশি। একইসঙ্গে সজল দাবি করেন, তৃণমূল সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। শুধু বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনে ৩২৪ কোটি টাকা লুঠ হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে কত সরকারি টাকা ধ্বংস হয়েছে, তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হোক।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য রাখার সময় ঋতব্রত-তৃণমূল শিবিরকে মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকাউট করতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু অধিবেশন কক্ষে হাজির ছিলেন মমতাপন্থী বিধায়করা। এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের ব্যাখ্যা, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথমবক্তব্য বিধানসভায় দিচ্ছেন, সেটা শোনা এবং সেই অনুযায়ী বক্তব্য রাখা দরকার। সেই কারণে অধিবেশন কক্ষে হাজির ছিলাম। অন্যদিকে ফারাক্কার কংগ্রেস বিধায়ক মোতাব শেখ সরকারের কাছে দাবি করেছেন, নতুন জেলার নাম উত্তর মুর্শিাদাবদ করা হোক। সেখানে মহকুমা হোক ফারাক্কা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ