Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

পরিকাঠামো নির্মাণে কেন্দ্রীয় সাহায্য: সবথেকে বেশি খরচ করেছে বাংলাই

স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স টু স্টেটস ফর ক্যাপিটাল  ইনভেস্টমেন্ট প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে প্রতি বছর যে আর্থিক সহায়তা দেয়, দেশের মধ্যে তার সবথেকে বেশি ব্যবহার করেছে পশ্চিমবঙ্গ।

পরিকাঠামো নির্মাণে কেন্দ্রীয় সাহায্য: সবথেকে বেশি খরচ করেছে বাংলাই
  • ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স টু স্টেটস ফর ক্যাপিটাল  ইনভেস্টমেন্ট প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে প্রতি বছর যে আর্থিক সহায়তা দেয়, দেশের মধ্যে তার সবথেকে বেশি ব্যবহার করেছে পশ্চিমবঙ্গ। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। বিগত ৫ বছরে এই খাতে মোট সাড়ে ৪ লক্ষ কোটি টাকা বিভিন্ন রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালে এই অনুদান পাওয়ার পর ২৮ রাজ্যের মধ্যে ১৭ রাজ্য ১০০ শতাংশ ওই অনুদান ব্যবহার করেছিল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত কয়েক বছরে কিন্তু এই প্রবণতা কমেছে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ আর কোনো রাজ্য ব্যবহার করতে পারছে না। এই টাকা কেন্দ্র অনুদান হিসেবে দিলেও এটি আদতে দীর্ঘকালীন ঋণ। সুদহীন পরিশোধযোগ্য। পশ্চিমবঙ্গ বিগত বছরে এই ফান্ড সব রাজ্যের থেকে বেশি ব্যবহার করেছে। প্রায় ৯৭ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গের পর মহারাষ্ট্র এবং ছত্তিশগড়। পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য এই তহবিল দেওয়া হয়। অর্থাৎ,  রাস্তা, সেতু, স্কুলভবন, কমিউনিটি ভবন, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমুখী প্রকল্প। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক এই আর্থিক সাহায্য দেয়। কেন্দ্র চায়, দেশের সর্বত্র ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার অর্থাৎ পরিকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ হোক বেশি করে। যাতে একইসঙ্গে স্থায়ী সম্পদ তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থানও হবে। আর এই লক্ষ্যপূরণে বৃহত্তর অর্থনীতির রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে বাংলা। বিস্ময়কর হল, পাঞ্জাব, কেরল, তেলেঙ্গানার পারফরম্যান্স খারাপ। তারা কেন্দ্রের টাকা পেয়েও এই পরিকাঠামো খাতে খরচ করেনি। এই টাকা কেন্দ্র থেকে ঋণ হিসাবে নিয়ে ৫০ বছর ধরে শোধ করতে হবে রাজ্যকে। কেন্দ্র ওই টাকা জোগাড় করে আর্থিক সংস্থা অথবা ব্যাংক থেকে। এই বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ প্রকল্পকে জিডিপি বৃদ্ধির হারের সঙ্গে যুক্ত করাই লক্ষ্য অর্থমন্ত্রকের। যাতে একদিকে আদায় করা ট্যাক্সের শেয়ার পেয়ে রাজ্যগুলি নিজেদের উন্নয়নমুখী কাজ করতে পারে। পাশাপাশি এই বিশেষ লোন নিয়ে আর্থিক বোঝাও সামলাতে পারে। বাংলা টাকার হিসাব দেয় না, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দেয় না— এই লাগাতার অভিযোগ করে থাকে মোদি সরকার। কিন্তু এসবিআই রিপোর্ট ঠিক বিপরীত কথাই বলছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ