Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

হবে জিওট্যাগ, জনগণনা নিখুঁত করতে উদ্যোগী সেন্সাস কমিশন

নিঁখুত জনগণনাই লক্ষ্য। তাই একই ব্যক্তিকে যাতে একাধিকবার গণনায় দেশের জনসংখ্যা ভুল না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক সেন্সাস কমিশনারের অফিস।

হবে জিওট্যাগ, জনগণনা নিখুঁত করতে উদ্যোগী সেন্সাস কমিশন
  • ২৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নিঁখুত জনগণনাই লক্ষ্য। তাই একই ব্যক্তিকে যাতে একাধিকবার গণনায় দেশের জনসংখ্যা ভুল না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক সেন্সাস কমিশনারের অফিস। নিখুঁত গণনার লক্ষ্যে তাই বাড়ি এবং ব্যক্তির নির্দিষ্ট লোকেশন নথিভূক্ত হবে। বিশেষ প্রযুক্তি (Geospatial technology)  ব্যবহার করেই হবে জনগণনা। যেখানে রাজ্য, জেলা, সদর, গ্রাম, শহরের নিখুঁত মানচিত্র ব্যবহার করা হবে। তারই লক্ষ্যে ৬ লক্ষ মানচিত্র তৈরি হচ্ছে। জনগণনা কর্মীরা যখন সেন্সাস কমিশনারের দেওয়া বিশেষ অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ডাউনলোড করে গণনা করবেন, তখন কোন এলাকায় কার বাড়ি, কতজন থাকে, সবই আপলোড হবে। যুক্ত হবে জিওট্যাগ। যাতে ওই ব্যক্তির বাড়ি খুঁজে পেতে সহজ হয়। আবার একাধিকবার একই ব্যক্তির নাম না আসে। যদিও একই ব্যক্তির একাধিক বাড়ি থাকলেও সেটি নথিভূক্ত হবে। 

Advertisement

২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে সেন্সাস। প্রথম পর্যায় চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পযর্ন্ত। তা‌ই শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে কর্মীদের প্রশিক্ষণ। ৩৪ লক্ষ কর্মীকে কাজে নামানো হবে। পাশাপাশি সেন্সাসের সঙ্গে যুক্ত করা হবে এক লক্ষ ৩০ হাজার জনকে। এবার জনগণনায় কেন্দ্রীয় সরকারের ৮ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা খরচ হবে। কর্মীদের সাম্মানিক হিসেবে দেওয়া হবে ৩০-৩৫ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে আগামী এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে হাউস লিস্টিং অপারেশন। অর্থাৎ দেশে কোথায় কত বাড়ি, তার মধ্যে কটা ঘর, সেগুলির কী হাল, পানীয়-রান্না-স্নানের জলের ব্যবস্থা কী, রান্নাঘর আছে কিনা, বাথরুম আছে কিনা, বাড়িতে কতজন থাকেন, সেসব নথিভূক্ত করা হবে। 
দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হবে জনগণনা। এক মাস টানা চলবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ। তারপর ১ মার্চ ২০২৭ তারিখে দেশের জনসংখ্যা কত, তার হিসেব লেখা হবে। এবার পুরো প্রক্রিয়াই হবে ডিজিটাল। ফলে একবার জনগণনার তথ্য পেয়ে গেলেই তা স্ক্রটিনি করে মার্চের শেষ অথবা এপ্রিলে প্রকাশ করা হবে বলেই জানা গিয়েছে। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল, ফেব্রুয়ারিতে তুষারাবৃত হওয়ার কারণে লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশে হাউস লিস্টিং অপারেশনের সঙ্গেই হবে জনগণনাও। অর্থাৎ নথিভূক্ত হবে নাগরিকের নাম, বয়স, ধর্ম, জাতি, ভাষা, বিবাহিত নাকি অবিবাহিত, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা ইত্যাদি। এমনকী মহিলাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে কটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সে জীবিত হোক বা মৃত। 

সম্পর্কিত সংবাদ