


নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: শ্রদ্ধা ও সমারোহের সঙ্গে পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪তম জন্মদিবস। দিনটি যুবদিবস হিসাবেও পালিত হয়। বেলুড় মঠে উৎসবের আবহে পালিত হয় ৪২তম জাতীয় যুবদিবস। ভোরে শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের মন্দিরে মঙ্গলারতি ও বিশেষ পুজোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুল, ক্লাব, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও মঠের শাখা সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাতফেরি ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন পড়ুয়া ও ভক্তরা। স্বামীজির ছবি ও প্রতিকৃতি নিয়ে গান গাইতে গাইতে মন্দির প্রদক্ষিণ করেন তাঁরা। মঠ প্রাঙ্গনে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, সমবেত সংগীত, বক্তৃতা, গীতিআলেখ্য ও যোগব্যায়াম প্রদর্শনসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘স্বামী বিবেকানন্দ আমাদের স্বদেশভক্তি ও সকল সমাজকর্মের অনুপ্রেরণা। সর্ব-ধর্ম-সমন্বয়ের যে পথ স্বামীজি আমাদের দেখিয়েছিলেন, তাই আমাদের সবার পাথেয়।’
স্বামীজির জন্মভিটা উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিট একটি অনুষ্ঠান হয়। রামকৃষ্ণ মিশন স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক আবাস ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্পাদক স্বামী জ্ঞানলোকানন্দ জানান, অনুষ্ঠান চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্বামী বিবেকানন্দ চক উদ্বোধন করে। বসানো হয় স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি। উলুবেড়িয়া পুরসভার উদ্যোগে পুরসভার ২৭ নং ওয়ার্ডের নোনা বিবেকানন্দ পার্কে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী পুলক রায়। বাগনানে বিবেক চেতনা যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অরুণাভ সেন। বনগাঁ শহরে একাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনটি পালন করা হয়। বনগাঁ পুরসভার পক্ষ থেকে বিবেকানন্দের মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বারুইপুর, বজবজ, জয়নগর, ডায়মন্ডহারবার সহ বিভিন্ন জায়গায় দিনটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়।
চুঁচুড়ার রামকৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যোগে সকালে প্রভাত ফেরি হয়। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি পৃথকভাবে জন্মতিথি পালন করেছে। চাঁপদানি সহ হুগলির একাধিক পুরসভার উদ্যোগ ও সরকারি স্তরে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। চুঁচুড়ায় চন্দননগর কমিশনারে পুলিশের উদ্যোগে রান ফর হেলথ দৌড়।