


• শিশুদের খামখেয়ালিপনার জগৎ শিশু রঙ্গমহল। তাদের আনন্দ উৎসাহের ধ্বজা উড়িয়ে পায়ে পায়ে এই সংস্থা পঁচাত্তরে । খুদেদের এই আনন্দ যজ্ঞের মূল কারিগর সমর চট্টোপাধ্যায়। শিশুদের নিজস্ব জগৎ গড়ে তুলতে স্কাউটার সমরের হৃদয় প্রথম জাগরিত হয়েছিল। তাঁর আপ্রাণ প্রচেষ্টা যে বিফলে যায়নি পঁচাত্তর বছর তার প্রমাণ। ১৯৫১ সালে শিশুদের জন্য তাঁর এত উদারতা আজও শিশুপ্রেমীদের উদ্বুদ্ধ করে। তাঁর লেখা ছড়া শিশুদের কন্ঠে শুনে ড: কালিদাস নাগ ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর উৎসাহে ছোটদের জন্য থিয়েটার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন সমর বাবু। তারপর তো ইতিহাস। শর্মিলা ঠাকুর, অলকানন্দা রায় থেকে আরও কত নাম দেশে বিদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে আছে।
পঁচাত্তর বছরের সূচনালগ্নে অবন মহলেউপস্থিত ছিলেন জহর সরকার, সৌমিত্র বসু, অলকানন্দা রায় ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। সকলেই তাঁদের রঙ্গ মহলের সঙ্গে স্মৃতি রোমন্থন করেন। পরবর্তী পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সমবেত উদ্বোধনী সংগীত। তারপর কড়ির ছন্দে নৃত্য, রোলার স্কেটিং, আবৃত্তি, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর রচিত নাটক ‘জোলা আর সাত ভূত’' মঞ্চায়ন হয় । শেষ পরিবেশনা ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে করা ‘আনন্দ’র উপস্থাপনা। ১৯৬১ সালে রচিত রবীন্দ্র গানের সংকলন। এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠানটি ছিল দৃষ্টিনন্দন ও শ্রুতি মধুর।
তাপস কাঁড়ার