Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

গুজরাতকে হারিয়ে ফাইনালে বিরাটরা, ক্যাপ্টেন রজত পাটীদারের অপরাজিত ৯৩, ব্যর্থ গিল-সুদর্শন

একদিকে বিরাট কোহলি। অন্যদিকে শুভমান গিল। মঙ্গলবার আইপিএল প্লে-অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন দুই মহারথী।

গুজরাতকে হারিয়ে ফাইনালে বিরাটরা, ক্যাপ্টেন রজত পাটীদারের অপরাজিত ৯৩, ব্যর্থ গিল-সুদর্শন
  • ২৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০

ধরমশালা: একদিকে বিরাট কোহলি। অন্যদিকে শুভমান গিল। মঙ্গলবার আইপিএল প্লে-অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন দুই মহারথী। কিন্তু তাঁদের ছাপিয়ে শৈলশহরের ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জিতলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ক্যাপ্টেন রজত পাটীদার। ৩৩ বলে অপরাজিত ৯৩। যাকে বলে ‘ক্যাপ্টেনস নক’। সেনাপতির মতোই দলকে পথ দেখালেন। তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে বড়ই অসহায় দেখাল গুজরাত টাইটান্সের বোলারদের। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তুলল ৫ উইকেটে ২৫৪। কোটিপতি লিগের ইতিহাসে প্লে-অফ পর্বে এটাই সবচেয়ে বেশি রান। জবাবে ১৬২ রানেই গুটিয়ে গেল গিলের গুজরাত। ৯২ রানে জিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেন বিরাট কোহলিরা। হারলেও গুজরাতের কাছে এখনও সুযোগ থাকছে। 

Advertisement

এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাতের অধিনায়ক গিল। তিনি ভেবেছিলেন, রান তাড়া করা সহজ হবে। শুরুতে বেঙ্কটেশ আয়ারের (১৯) উইকেট তুলে নেওয়ার পর সেই সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছিল। কিন্তু প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে তোলেন বিরাট। চলতি আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে ভিকে। ১৫ ম্যাচে সংগ্রহ ৬০০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে দেবদূত পাদিক্কালের সঙ্গে তিনি যোগ করেন ৭২ রান। তবে নবম ওভারে জেসন হোল্ডার জোড়া ধাক্কা দেন। প্রথমে ফেরান কোহলিকে (৪৩)। তাঁর পরের শিকার পাদিক্কাল (৩০)। ম্যাচের রাশ হাতে তুলে নেওয়ার সেটাই ছিল গুজরাতের সেরা সুযোগ। কিন্তু পাটীদার ২০ রানে জীবন ফিরে পাওয়াই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। তারকাখচিত গুজরাতের বোলিংয়ের উপর রীতিমতো রোলার চালান আরসিবি অধিনায়ক। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পাটীদারের লেগেছে ২১টি বল। ইনিংসে পাঁচটি বাউন্ডারির পাশাপাশি ন’টি ওভার বাউন্ডারিও হাঁকান তিনি। যোগ্য সঙ্গত করেন ক্রুণাল পান্ডিয়াও (৪৩)। জিতেশ শর্মা অপরাজিত থাকেন ১৫ রানে।
রানের পাহাড় টপকানো গুজরাতের পক্ষে যে সহজ হবে না সেটা বোঝাই গিয়েছিল। তবুও সমর্থকরা স্বপ্ন দেখছিলেন গিল-সুদর্শন জুটিকে ঘিরে। কিন্তু ভাগ্য এদিন সঙ্গে ছিল না সুদর্শনের (১৪)। বাউন্ডারি হাঁকানোর পর ব্যাট হাত ফসকে হিট উইকেট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। এরপর ভুবনেশ্বর কুমারের বলে গিল বোল্ড হতেই ব্যাকফুটে চলে যায় গুজরাত। মাত্র ২ রান করেন গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক। জোড়া ধাক্কা সামলে ওঠার বদলে বাটলারের উইকেট হারিয়ে আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে গিল বাহিনী। ১১ বলে ২৯ রানে ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার বোল্ড হন হ্যাজলউডের বলে। এরপর আর কেউই সেভাবে ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। সুন্দর (৮), হোল্ডার (০), রশিদ খান (৮) একে একে ফেরেন। একটা সময় মনে হচ্ছিল, একশোর আগেই গুটিয়ে যাবে গুজরাতের ইনিংস। তবে ইমপ্যাক্ট সাব রাহুল তেওয়াটিয়া (৬৮) সেই লজ্জার হাত থেকে দলকে টেনে তোলেন। বেঙ্গালুরুর হয়ে জেকব ডাফি তিনটি এবং ভুবনেশ্বর, রাসিখ ও ক্রুণাল দু’টি করে উইকেট নেন।

সম্পর্কিত সংবাদ