মুম্বই: ক্যাপ্টেন। অনুরাগী মহলে এই নামেই পরিচিত প্রাক্তন মার্চেন্ট নেভি অফিসার অশোক খারাত। অবসর নেওয়ার পর জ্যোতিষ ব্যবসা শুরু করেছিলেন। আর তার আড়ালেই একের পর এক মহিলাকে ফাঁসিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। বুধবার রাতে মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে অভিযুক্ত অশোককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৫ বছরের এক মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন তিনি। তাঁর লালসার শিকার সবমিলিয়ে ৫৮ জন মহিলা। তদন্তকারী আধিকারিকের কথায়, স্বামীর অকাল মৃত্যুর ভয়, সাংসারিক বিবাদ মেটানো, তন্ত্র-মন্ত্রের নানা গল্প শুনিয়ে মহিলাদের ফাঁদে ফেলতেন তিনি। তারপর তাঁদের মাদকদ্রব্য সেবন করিয়ে চলত যৌন নির্যাতন।
নাসিকে ‘অকাস প্রপার্টি ডিলারস অ্যান্ড ডেভেলপর্স’ নামে একটি অফিস খুলেছিলেন অশোক। সেখানে একাধিক সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন। অফিসে তল্লাশি চালিয়ে একটি পেনড্রাইভ উদ্ধার করা হয়েছে। সেই পেনড্রাইভে প্রায় ৫৮ জন মহিলার সঙ্গে অভিযুক্তের অশ্লীল দৃশ্যের ভিডিয়ো রয়েছে। একাধিক নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। জানা গিয়েছে, দিল্লি সহ মহারাষ্ট্রের বড়ো বড়ো রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর ওঠা-বসা রয়েছে। এমনকী মীরগাঁও এলাকায় ঈষাণেশ্বর মন্দিরের নির্মাতাও তিনি। বুধবার রাতে অশোককে ধরতে নাসিকের ফার্ম হাউসে পৌঁছয় পুলিশ। তারপর চোর ধরার নাটক করে অভিযুক্তের ঘরে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বেডরুম থেকে অশোককে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত অশোক খারাত।