নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: ব্রিটিশ আমলের বারাকপুরের কোর্ট চার বছর ধরে বন্ধ। নতুন আদালত ভবন তৈরি হয়েছে বারাকপুর চিড়িয়ামোড়ের কাছে। কিন্তু নতুন কোর্টে যথেষ্ট জায়গা নেই। তাই পুরনো কোর্টকে ভেঙে নতুন করে তৈরি করতে চলেছে পূর্তদপ্তর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই নতুন কোর্ট তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে আইন দপ্তর। টাকা খরচ করবে তারাই, আর কাজ করবে পূর্তদপ্তর। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকও করছে পূর্তদপ্তর। ইতিমধ্যে ওই দপ্তরের চিফ আর্কিটেট বন্ধ থাকা পুরনো কোর্ট চত্বর ঘুরে দেখেছেন। তবে এটি দেশের সবচেয়ে প্রাচীন বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে রয়েছে। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী সর্বাধিক দোতলা করা যাবে। উচ্চতা হবে ২২ ফুট। পাশেই এয়ারবেস রয়েছে। সে জন্য বহুতল করা যায় না বলে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে। এ ব্যাপারে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন পূর্তদপ্তর এবং আইন দপ্তরের কর্তারা। খুব শীঘ্রই হাইকোর্টের জোনাল জজ এই পুরনো কোর্ট পরিদর্শনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। আড়াইশো বছরের পুরনো ওই কোর্ট প্রথমে এসডিও কোর্ট হিসেবে চালু হয়েছিল। এব্যাপারে বারাকপুর কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা বীরেন ভগত জানান, এই আদালত অনেক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর গ্রেপ্তারি নিয়েও মামলা হয়েছে এই আদালতে। বারাকপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত রায় জানিয়েছেন, পুরনো কোর্ট বন্ধ করে নতুন কোর্ট চালু হলেও এখনও সিনিয়র ডিভিশন সিভিল জজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জজ নেই। পরিকাঠামোর অনেক অভাব রয়েছে। আমরা বিষয়টি আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককেও জানিয়েছি।



