নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তরুণদের যুক্ত করে নদী বাঁচাও, এই স্লোগান সামনে রেখে সি এক্সপ্লোরার ইনস্টিটিউট শুরু করছে দ্বিবার্ষিকী পেন্টাথলন। পাঁচ জনকে নিয়ে একটি টিম। মোট আটটি টিম তৈরি করা হয়েছে। এই দলের সদস্যরা রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ট্রেকিং, রাফটিং, কায়াকিং, রোয়িং ও সেইলিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে অংশগ্রহণ করবেন। সান্দাকফু থেকে কলকাতা রাজ্যের বিভিন্ন অংশে পেন্টাথলনের মাধ্যমে পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার বার্তা দেবেন তাঁরা।
চার নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হবে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড, পশ্চিমবঙ্গ ডিরেক্টরেট পেন্টাথলনের সময় সি এক্সপ্লোরারের সঙ্গে যৌথভাবে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতার বার্তা দেবে। বিভিন্ন পেশার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের তরুণ-তরুণীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। মোট ৪০ প্রতিযোগী। তার মধ্যে তিনজন মহিলা। এই প্রতিযোগিতার পাশাপাশি নদীতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধ ও স্থানীয় তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দেওয়া হবে। তার সঙ্গে নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ এবং তা পরীক্ষা করা হবে। রংপো, তিস্তা বাজার, ফরাক্কা, রঘুনাথগঞ্জ, দেবীপুর, পলাশি, কালনা, ত্রিবেণী, বারাকপুর এবং কলকাতার জল সংগ্রহ হবে। দার্জিলিং, সান্দাকফু, ফরাক্কা, তিস্তা বাজার, কলকাতা সহ ছ’টি এলাকায় হবে সচেতনতা শিবির।
সান্দাকফু থেকে মেঘমা পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটার হবে ট্রেকিং প্রতিযোগিতা। রংপো থেকে তিস্তা বাজার পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার রাফটিং, ফরাক্কা থেকে বহরমপুর ১২০ কিলোমিটারের কায়াকিং, বহরমপুর থেকে কলকাতা ৩৩০ কিলোমিটারের রোয়িং ও সেইলিং প্রতিযোগিতা হবে। সি এক্সপ্লোরার ইনস্টিটিউটের সেক্রেটারি জেনারেল ডঃ সুদেষ্ণা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা চাই এই প্রজন্ম নদী সংরক্ষণের উদ্যোগ নিক। সেজন্য আমাদের আকর্ষণীয় বিষয় সামনে আনতে হবে। এ বছর পেন্টাথলন ওই কাজটিই করছে।’-নিজস্ব চিত্র