Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পশু জবাইয়ে ছাড় নিয়ে রাজ্যকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

বকরি ইদ উপলক্ষে কুরবানি বা পশু জবাই সংক্রান্ত মামলায় কোনো হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট। পশু জবাই সংক্রান্ত ১৯৫০ সালের ১২ ধারায় যে ছাড়ের কথা উল্লেখ রয়েছে সেই ব্যাপারে রাজ্যকেই সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ।

পশু জবাইয়ে ছাড় নিয়ে রাজ্যকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট
  • ২২ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বকরি ইদ উপলক্ষে কুরবানি বা পশু জবাই সংক্রান্ত মামলায় কোনো হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট। পশু জবাই সংক্রান্ত ১৯৫০ সালের ১২ ধারায় যে ছাড়ের কথা উল্লেখ রয়েছে সেই ব্যাপারে রাজ্যকেই সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ। যেহেতু ২৭ বা ২৮ মে কুরবানির ইদ অনুষ্ঠিত হবে, সে-কথা মাথায় রেখে ২৪ ঘণ্টা, অর্থাৎ শুক্রবারের মধ্যেই রাজ্যকে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে আদালত। তবে জবাই সংক্রান্ত ওই আইনের একাধিক ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার যে আবেদন, সেই ব্যাপারে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। মামলায় সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে এই ব্যাপারে রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

১৯৫০ সালের পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করতে গত ১৩ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। ওই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে এবং শর্ত শিথিল করার আবেদন জানিয়ে ১৭টি মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। যেখানে রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান আবেদন করেন, বকরি ইদ উপলক্ষ্যে জবাই আইনের ১২ নম্বর ধারায় একটা ছাড় রয়েছে। সেই ১২ নম্বর ধারাকে সামনে রেখে একটা ছাড় চেয়েছি আমরা। 
শুনানিতে জমিয়ত-ই-উলেমার আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের সাংবিধানিক বৈধতা—উভয়কেই চ্যালেঞ্জ করেছি। ১৯৫০ সালের আইনটির উদ্দেশ্য ছিল, পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ করা। কৃষিকাজের স্বার্থে পশু সংরক্ষণ করা উচিত, তাই ওই আইন আনা হয়। কিন্তু এখন কৃষিকাজ আর গোরু বা মহিষের উপর নির্ভরশীল নয়। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে সেই 
পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। অন্যদিকে, পরিসংখ্যান বলছে গবাদি পশুর সংখ্যা স্বাস্থ্যকর হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দুধ উৎপাদনও বেড়েছে। মোট গবাদি পশুর মধ্যে গোরুর সংখ্যা ৩৬ শতাংশের অধিক।’ 
যদিও হাইকোর্ট জানায়, এই আইন কার্যকর না-থাকলে এতগুলি মামলা দায়ের করারই কোনো প্রয়োজন হত না। কারণ এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রতিবছরই জারি হয়ে আসছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ