শিরোপা জয়ই লক্ষ্য ডায়মন্ডহারবারের
শিরোপা জয়ই লক্ষ্য ডায়মন্ডহারবারের
প্রতিষ্ঠা: ২০২২ সাল
ইতিহাস: গত কয়েক বছর ডায়মন্ডহারবার এমপি কাপ প্রবল জনপ্রিয়। স্থানীয় মানুষের উন্মাদনা টের পেয়ে ফুটবল ক্লাব গড়ার পরিকল্পনা করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন বছর আগে ঘরোয়া লিগের প্রথম ডিভিশন রানার্স হয়ে প্রিমিয়ারে উঠে আসে ডায়মন্ডহারবার এফসি। চিফ কোচ মোহন বাগানের প্রাক্তনী কিবু ভিকুনা। তবে ঘরোয়া লিগের দায়িত্বে দীপাঙ্কুর শর্মা।
উল্লেখযোগ্য ফুটবলার: সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলা দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলার রয়েছেন স্কোয়াডে। সুপ্রতীপ হাজরা, সুপ্রিয় পণ্ডিত, অয়ন মণ্ডলরা বড় ভরসা। এছাড়া স্ট্রাইকার রাহুল পাসোয়ান, দিলীপ ওঁরাওদের রেখে যথেষ্ট শক্তিশালী দল বানিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
কোচের মন্তব্য: ঘরোয়া লিগ ফুটবলারদের প্রমাণের মঞ্চ। পারফরম্যান্স করতে পারলে আই লিগের দলেও সুযোগ মিলবে। ম্যানেজমেন্টের আন্তরিকতার তুলনা নেই। গত কয়েক মরশুমের ধারাবাহিকতাই তার প্রমাণ।
সেরা পারফরম্যান্স: ভারতীয় ফুটবলে রকেটের গতিতে উত্থান ডায়মন্ডহারবারের। আই লিগ টু চ্যাম্পিয়ন হয়ে সরাসরি আই লিগে পা রেখেছে তারা। এবার লক্ষ্য আইএসএল। সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করছে তারা।
লক্ষ্য: গত বছর ঘরোয়া লিগে ইস্ট বেঙ্গলের সঙ্গেই চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে ছিল ডায়মন্ডহারবার। কিন্তু পুরো বিষয়টাই আদালতের রায়ের উপর নির্ভরশীল। চলতি মরশুমে খেতাব জয়ই লক্ষ্য।
টিম গেমই ভরসা কালীঘাট এসএলের
প্রতিষ্ঠা: ২০০০ সাল।
ইতিহাস: কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের সামাজিক কাজকর্ম বহুল প্রচারিত। ২০১৮ সালে ঘরোয়া লিগের তৃতীয় ডিভিশনে অংশ নেয় তারা। সেবার ১৪টি ম্যাচে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে উঠে আসে দল। তারপর ধাপে ধাপে উত্তরণের পর প্রিমিয়ারের ছাড়পত্র মেলে।
উল্লেখযোগ্য ফুটবলার: গোপি সিং, প্রেম দাস, নাজবুল মোল্লার মতো তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দল গড়া হয়েছে। নেরোকার ওলেন সিং, চার্চিলে খেলা জাফর আলি মণ্ডলকেও সই করানো হয়েছে। অবসরে পা বাড়ানো সুরজ মণ্ডলকে নেওয়ার যুক্তি বোঝা দায়। দলের কোচ বিশ্বেশ্বর সিং। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসাবে সাবির আলির সঙ্গে কথা বলছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বুধবার তাঁর দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা।
কোচের মন্তব্য: দলে অধিকাংশই জুনিয়র ফুটবলার। গ্রুপও খুবই কঠিন। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে পয়েন্ট হারানো চলবে না। টিম গেমে আস্থা রাখছি। ফুটবলারদের তাগিদই সম্বল।
সেরা পারফরম্যান্স: গত বছর গ্রুপে পঞ্চম স্থানে ছিল এই দল।
লক্ষ্য: প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে বদ্ধপরিকর গোটা দল। তবে পাখির চোখ সেরা ছয়।